ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন | ফ্রিল্যান্সিং উপকারিতা

আমাদের এই বর্তমান সময়ে এই আধুনিকতার যুগে ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই না এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অনেক যুবক-যুবতী আছে যারা কিনা ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন এই বিষয়টা জানে না।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন


আদৌ কি আহামরি কিছু প্রয়োজন? এইসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আজকে হাজির হলাম তাই আজকের এই নিবন্ধটি খুব স্পেশাল হতে চলেছে। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে এবং কোন কোন কাজের দক্ষতা থাকতে হবে।

যেসব জিনিস থাকলেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন এইসব বিষয় ইনশাআল্লাহ আজকের এই নিবন্ধ থেকে জানতে পারবেন। তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান তাহলে অবশ্যই আজকের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ার চেষ্টা করবেন আশা করি অনেক উপকারে আসবে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন

আপনি যদি বর্তমান সময়ের এই আধুনিক যুগের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং নামে যে পেশাটা রয়েছে সেটা শিখে কিংবা করে নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে এর আগে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কিসের প্রয়োজন কিংবা কি কি দক্ষতা থাকতে হবে।

বর্তমান সময়ে যুবক যুবতীরা টাকা ইনকাম করার ফ্রিল্যান্সিং করে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে। আসলেই কি কোটিপতি হওয়া যায় ফ্রিল্যান্সিং করে? হ্যাঁ হওয়া যাই! এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে? এর জন্য আপনার প্রচুর স্কিল থাকতে হবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই

ঠিক তারই ব্যক্তিকে এখন আমি আপনাদের সাথে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি জিনিসের প্রয়োজন পড়ে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়ি মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

১। ধৈর্য ধারণ করা

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করার জন্য কিংবা সফল হওয়ার জন্য মূল যে বিষয়টা কাজ করে সেটা হচ্ছে ধৈর্য। প্রথমদিকে দেখা যাবে যে আপনার রেজাল্ট কেমন ভালো হবে না যেমন আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে সে ক্ষেত্রে দেখা যাবে যে আপনার পোস্টগুলোর রেংক করেন।

বলতে গেলে প্রথমদিকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং হতে হয়েছে প্রত্যেকটা সকল ফ্রিল্যান্সারদের কে। তো আপনি যদি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান কিংবা শুরু করতে চান তাহলে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করবেন আগে আপনার ধৈর্য আছে কিনা।

যদি এমন কোন সময় আসে যে আপনি কাজটি করে করেছেন কিন্তু হচ্ছে না তাহলে আপনি ভেঙ্গে পড়তে পারবেন না। তো আপনি যদি মনে করেন যে আপনি ধৈর্য ধারণ করতে পারবেন তাহলেই ফ্রিল্যান্সার সাথে যোগ দিতে পারে।

তো আপনার যদি ধৈর্য না থাকে তাহলে অবশ্যই এই সেক্টরে আসবেন না কেননা প্রথম দিকে আপনাকে অবশ্যই কাজ করতে হবে এবং ধৈর্য ধরতে হবে। প্রথমদিকে আপনি কাজটি ক্রয় করবেন কিন্তু ভাল কোন ফলাফল পাবেন না।

তো আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করবেন যে আপনার ধৈর্য আছে কিনা? যদি আপনার ধৈর্য না থাকে তাহলে অবশ্যই এই সেক্টরে যোগ দিবেন না। কেননা যদি ধৈর্য না থাকার পরেও এই সেক্টরে আসেন তাহলে খুব দ্রুত আপনি ব্যর্থ হয়ে পড়বেন।

২। শেখার প্রতি আগ্রহ থাকা

ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে আপনি যেই পেশাই নেন না কেন অবশ্যই আপনাকে অনেক কিছু শিখতে হবে। যেমন আপনি যদি আমার মত ব্লগিং করেন তাহলে এখানে অনেকগুলো টিপস এন্ড ট্রিক রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন খুব ভালো পরিমাণে।

ব্লগিং বলেন কিংবা এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই আপনাকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কিছু শিখতে হবে। কেননা আপনি যদি ব্লগিংয়ের দিকে তাকান কিংবা কোন একটা ওয়েবসাইট নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর দিকে তাকান তাহলে অবশ্যই আপনাকে র‍্যাংক করার প্রয়োজন পড়বে গুগলের মধ্যে।

আরে কিভাবে রেঙ্ক করতে হয় এই বিষয়টা বলতে যেমন সহজ হচ্ছে করতে ঠিক তার চেয়ে অনেক কঠিন। অনেকগুলো নিয়ম কানুন রয়েছে পনার ব্লগ টাকে গুগলের মধ্যে র‍্যাংক করার জন্য। অবশ্যই আপনাকে সেগুলো জানতে হবে জেনে তো আর শেষ করা যাবে না।

ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য আপনি অনেক ভাবেই শিখতে পারবেন। আপনি এই জগতে যে পেশাটা নেন না কেন আপনি যদি সেই বিষয়টা জানার লক্ষ্যে google এর মধ্যে সার্চ করেন তাহলে অনেক কিছু ইনফরমেশন পেয়ে যাবেন।

৩। ইন্টারনেট কানেকশন থাকা লাগবে

ফ্রিল্যান্সিং পেশাটা যেহেতু ইন্টারনেটের সাথে বেশ কানেক্টেড তাই আপনাকে অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকা লাগবে। যখন আপনি কোন কিছু করতে যাবেন কিংবা কাজ করার জন্য কোন বায়ার খুঁজবেন তখনই আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন পড়বে।

তাছাড়া আপনি যদি ব্লগিং করেন সে ক্ষেত্রে ও পোস্ট পাবলিশ করার ক্ষেত্রে কিংবা বিভিন্ন ইনফরমেশন কালেক্ট করার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট কানেকশনের বেশ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এক কথায় বলতে গেলে আপনি 99% ফ্রিল্যান্সিং কাজ ইন্টারনেট ছাড়া সম্পন্ন করতে পারবেন না। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ইন্টারনেটের কত প্রয়োজনীয়তা রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে।

বাংলাদেশের মধ্যে বেশ কয়েকটা টেলিকম কিংবা ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন গ্রামীণফোন এয়ারটেল রবি কিংবা বাংলালিংক ইত্যাদি। এই প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি সিম ক্রয় করে সেখানে মাসিক ৩০ থেকে ৬০ জিবি পর্যন্ত নিয়ে নিলেই এনাফ হয়ে যাবে।

তবে আপনি যদি একজন ওয়াইফাই ইউজার হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আরো ভালো। বলতে গেলে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের খরচ কেমন বেশি লাগে না বিশেষ করে airtel সিমের মধ্যে খুব অল্প টাকায় এমবি পাওয়া যায়।

এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার এখনো রয়েছে যারা কিনা বিভিন্ন সিম কোম্পানি থেকে এমবি ক্রয় করে সেগুলো দিয়ে ল্যাপটপ কম্পিউটার ইত্যাদিতে ইন্টারনেট কানেকশন সংযুক্ত করে।

আরো পড়ুনঃ ফাইভার একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম

৪। কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার মেইন হাতিয়ার যেটা রয়েছে সেটা হচ্ছে কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ। ফ্রিল্যান্সিং এর প্রায় ৯৯ পার্সেন্ট কাজ আপনাকে সম্পন্ন করতে হবে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার দিয়ে।

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেকগুলো কাজ রয়েছে যেগুলো কিনা ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার ছাড়াই সমাপ্ত করা যায় তারপরও ল্যাপটপ-কম্পিউটারের মত হবে না। তাই আমার মতে আপনার ব্রেনের পরে সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট হচ্ছে আপনার ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার।

বর্তমানে খুব অল্প টাকায় ল্যাপটপ ক্রয় করতে পারা যায় কিংবা ডেস্কটপ পাওয়া যায়। তো আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে এই ডিভাইস গুলো সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করুন এবং ভালোমতো একটা ক্রয় করে নিন।

আপনার কাজ করতে যেমন মজা লাগবে ঠিক তেমনি যে কাজটা করবেন সেটা ঠিক হওয়ার শতভাগ গ্যারান্টি দেওয়া যায়। তাছাড়া অনেকগুলো এক্সটেনশন ইউজ করা যায় ল্যাপটপ কম্পিউটারের মধ্যে যেগুলো কিনা সাধারণ মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব নয়।

৫। জ্ঞান এবং দক্ষতা থাকা

আপনার যদি জ্ঞান না থাকে তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং বলেন কিংবা অন্য যে কোন কাজ করতেই পারবেন না। জ্ঞান থাকার পাশাপাশি আপনার যে বিষয়টা টাকা লাগবে সেটা হচ্ছে দক্ষতা কিনবে স্কিলস।

আপনার কাছে কি ল্যাপটপ-কম্পিউটার আছে? তাহলে তো ভালো! কিন্তু আপনার কাছে যদি জ্ঞান কিংবা দক্ষতা না থাকে তাহলে এই সব জিনিসের কোন দাম নেই। আপনার টেবিলের মধ্যে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকতে পারবেন কোন কাজে আসবে না যদি ভালোমতো স্কিলস না থাকে।

তাই আপনাকে প্রতিনিয়তই নতুন কিছু জ্ঞান অর্জন করতে হবে বিভিন্ন নতুন নতুন ব্লগ পড়ে কিংবা ভালো ইউটিউবারের ভিডিও দেখে দেখে। বলতে গেলে অনেক সফল ফ্রিল্যান্সারের ইংরেজি কিংবা বাংলা ইত্যাদি ভাষায় ব্লগ কিংবা ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে,

যারা কিনা সেখানে প্রতিনিয়ত তাদের বিভিন্ন টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করে তাকে সেগুলো পড়তে পারেন কিংবা আপনি দেখতে পারেন। যার কারণে হবে কি, আপনার জ্ঞান বাড়ার পাশাপাশি স্কিলস বেড়ে যাবে যেটা কিনা আপনার কাজের আগ্রহ বাড়িয়ে দিবে এবং কাজ নির্ভুল হবে।

৬। প্রয়োজন মত ইংরেজি জানা

বর্তমানে সময়ে আমরা ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে আমরা যেটা ধরে নেই সেটা হচ্ছে ইংরেজি। আপনি বিশ্বের যেখানেই যান না কেন প্রায় দেশের মধ্যে ইংরেজি ব্যবহার করতে পারবেন। তাই আপনাকে ভালোমতো ইংরেজিতে প্র্যাকটিস করতে হবে এবং ইংরেজি জানা থাকতে হবে।

বিশেষ করে আমরা যেহেতু বিভিন্ন ক্লাইন্ট কালেক্ট করি বাহিরের দেশের, তাই তাদের সাথে কথা বলার জন্য কিংবা যোগাযোগ করার জন্য অবশ্যই ইংরেজি জানা লাগবে। মনে করেন আপনি কোন একজন ক্লাইন্টকে নক দিলেন কাজ করে দেওয়ার জন্য তাহলে অবশ্যই ইংরেজিতে নক দিতে হবে তাই না?

তাছাড়া আমরা যখন কাজের যোগ্যতা অর্জন করার পরে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসি যোগ দিব যেমন ফাইভার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি তখন সেখানে আমাদেরকে গিগ পাবলিশ করতে হবে ইংরেজিতে। এবং সেই গিগ অনুযায়ী আমাদেরকে বিভিন্ন ক্লাইন্ট নক দিবে ইংরেজি ভাষায়।

মোট কথা বলতে গেলে প্রায় শতভাগ কাজ যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল ভাবে করতে হয় তাই অবশ্যই আপনাকে সেই ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজটা শিখতে হবে। যেটার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলবেন এবং কাজের বিভিন্ন সেটিংস পড়বেন/বুঝবেন।

আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে টাকায় করে বিকাশে পেমেন্ট নিবেন যেভাবে

৭। কৌশল জানা থাকা

এখানে আপনাকে বিভিন্ন কৌশল জেনে নিতে হবে যে বিভিন্ন ক্লাইন্ট কিভাবে কালেক্ট করতে হয় এবং তাদের থেকে খুব সহজে কাজ কিভাবে নিতে হয়। অনেকগুলো কৌশল রয়েছে যেগুলো কিনা বিভিন্ন কোর্সের মধ্যে শেখানো হয় এবং আবার অনেকেই ইউটিউব ভিডিও কিংবা বিভিন্ন ব্লগে ফ্রিতে শেয়ার করে।

এখানে সমস্ত কৌশল অন্যের উপর ডিফেন্ড করে না তাই আপনাকে নিজের মাথা কাটিয়ে বিভিন্ন কৌশল বের করে নিতে হবে। তাই অবশ্যই এই কাজগুলো করার সময় অবশ্যই সচেতন হবে এবং কৌশল কাটিয়ে ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলবেন ইত্যাদি আর কি।

যেমন আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শেষের মধ্যে ব্লগিং করেন‌ তাহলে সেখানে আপনার অনেক কম্পিউটার রয়েছে যারা কোন গুগলে‌ শীর্ষে রেংক করা। তাই কোন কৌশলটা কাটিয়ে তাদেরকে পিছে পালানো যায় সেটা বের করতে হবে।


ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি কি?

আমাদের মধ্যে অনেকেই প্রশ্ন করে তাকে যে ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে কি কি কাজ করা যায়? এ বিষয়টা জেনে রাখা অবশ্যই প্রত্যেক নতুন ফ্রিল্যান্সিং করতে যারা আগ্রহী তাদের জানা থাকা দরকার।

কেননা আপনার জন্য কোন বিষয়টা ভালো হবে ফ্রিল্যান্সিং জগতের মধ্যে সেটা তো আগে জানতে হবে। হ্যাঁ, ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে অনেকগুলো কাজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এসইও কিংবা ব্লগিং ইত্যাদি।

সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ কোনটি?

নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয় যে ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে কোন কাজটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে আমি মনে করি বাংলাদেশের মধ্যে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সারেরা ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকে

তবে আপনি এ বিষয়টি আরো ভালোভাবে জানার জন্য প্রথম আলোর একটা প্রতিবেদন দেখতে পারেন। আপনি যদি প্রথম আলোর এই প্রতিবেদন দেখতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করে দেখে আসুন আশা করি উপকারে আসবে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রিন্সিং কাজ ডেটা অ্যানালিটিক্স এটার কথাও তুলে ধরেছে প্রথম আলোর এই প্রতিবেদনে। আশা করা যায় আপনি উপরে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে বিষয়টা দেখে আসলে খুব ভালোভাবে জানতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং উপকারিতা?

ফ্রিল্যান্সিং এর উপকারিতা কথা তুলে ধরতে চাইলে আমাকে অনেক কিছু বলতে হবে। তবে এখানে আমি আপনাদের সাথে নামমাত্র কয়েকটা বিষয় তুলে ধরব যেখান থেকে আপনারা ভালো একটা ধারণা নিতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর উপকারিতা হচ্ছে বাড়িতে বসে কাজ করতে পারা, কোন নির্দিষ্ট বসের আন্ডারে হয়ে কাজ না করিতে পারা, দেশের মধ্যে রেমিটেন্স বাড়ানো, দেশের মান উজ্জ্বল করা, পরিবারকে সময় দিতে পারা ইত্যাদি।

এগুলো ছাড়াও আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে যেগুলো কিনে আমি এখানে সংক্ষিপ্ত তাদের কারণে আপনাদের সাথে তুলে ধরতে পারতেছি না। তবে আশা করি আপনারা বুঝে গেছেন ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে কতগুলো উপকারিতা রয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং সাইটের কাজ কি?

আমরা অনেক সময় বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটের নাম শুনেছি কিন্তু অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং সাইটের কাজ কি এই বিষয়টা জানে না। আপনি যদি এই বিষয়টি জানতে চান তাহলে এখনি জেনে নিন।

ফ্রিল্যান্সিং সাইটের কাজ হচ্ছে বিভিন্ন সেলার এবং বায়ার একজন অপরজনের সাথে পরিচয় করে দেওয়া। মূল প্রসেসটা হচ্ছে এরকম, সেই সমস্ত ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে যারা কাজ করবে (সেলার) যারা কাজ দিবে (বায়ার) সবাই প্রবেশ করে।

উভয়পক্ষ সেখানে অ্যাকাউন্ট করে যারা কাজ করবে তারা কাজ করার জন্য বিভিন্ন‌ গিগ পাবলিশ করবে এবং যারা কাজ দিবে তারা সেই গিগগুলো দেখবে। যদি কোন একজন ফ্রিল্যান্সারকে বায়ার যোগ্য বলে মনে করে তাহলে কাজটা সে দিবে।

কাজটা কমপ্লিট করার পরে যখন ‌বায়ার সেলারকে টাকা বুঝিয়ে দিবে সেই সাইটের মাধ্যমে তখন ‌সাইটটা কিছু পরিমাণ টাকা কেটে নেবে। এভাবেই মূলত ফ্রিল্যান্সিং সাইটের কাজ চলমান রয়েছ, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

আরো পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং যেভাবে শুরু করবেন

উপসংহারঃ আজকে আমি আপনাদের সাথে ‌ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন এই বিষয়টা শেয়ার করার পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটা বিষয় শেয়ার করেছি। আশাকরি আপনাদের অনেক উপকৃত হয়েছে, যদি ভুল হয় তাহলে সংশোধন করার আবেদন করবেন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url