আয়াতুল কুরসি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত

আয়াতুল কুরসি সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত। সুতরাং আপনি যদি সরাসরি কুরআন শরীফ থেকে আয়াতুল কুরসি মুখস্ত করতে চান তাহলে কোরআন মসজিদ খুলে সুরা বাকারার অর্থাৎ কোরআন শরীফের দ্বিতীয় সূরার 255 নম্বর আয়াতে চলে যান। সেখানে গিয়ে সরাসরি কুরআন মজিদ থেকে আপনি এই আয়াতের মুখস্ত করে নিতে পারবেন আপনার অনেক প্রয়োজনে আসবে।

আয়াতুল কুরসি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত

প্রত্যেক মুসলমানের ওই উচিত যেন তারা সবাই আয়াতুল কুরসী মুখস্ত করে নেয়। কেননা এই আয়াতের অনেক ফজিলত বিদ্যমান রয়েছে তাছাড়া প্রতি ফরজ নামাজ এর পরে আয়াতুল কুরসি পড়লে অনেক নেকি হাসিল করা যায়।

আয়াতুল কুরসি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত

আমাদের মধ্যে এমন অনেক লোক আছে যারা কিনা সরাসরি কোরআন শরীফ থেকে এই আয়াতটা মুখস্ত করতে চাই যার কারণে অনেকেই google এর মধ্যে আয়াতুল কুরসি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত এই বিষয়টা লিখে সার্চ করে থাকে।

ঠিক তারই ভিত্তিতে এখন আমি আপনাদের সাথে আসলে মূলত কোন সূরার মধ্যে রয়েছে এবং কত নম্বর আয়াত এটা বলার চেষ্টা করব। মূলত আয়াতুল কুরসি হচ্ছে সূরা বাকারার আয়াত (যে সূরা টা কিনা সুরা ফাতেহার পরে অর্থাৎ কোরআন শরীফের দ্বিতীয় সূরা) যেটা সুরা বাকারা নামে পরিচিত। এই সূরার ২৫৫ নম্বর যে আছে সেটা আয়াতুল কুরসি নামে পরিচিত। সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম

আয়াতুল কুরসির ফজিলত

হাদিসের মধ্যে এই আয়াত সম্পর্কে অনেক ফজিলত বিদ্যমান রয়েছে যেগুলো কিনা আমাদের সকলেরই জানা উচিত। যদিওবা এমন অনেক লোক আছে যারা কিনা এই প্রযুক্তির সময়েও এসব বিষয় সম্পর্কে জানে না। যেখানে কিনা এখন সবখানেই পাওয়া যায় এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর। তাহলে চলুন আমরা জেনে আসি এই আয়াতের ফজিলত গুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি ফজিলত।

See also  তাহাজ্জুদ নামাজ সুন্নত নাকি নফল | তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও নিয়ত

হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়েন, তাঁর জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোনো কিছু বাধা হবে না।

হজরত আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ (রা.) রাসুলুল্লাহকে (সা.) জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে? রাসুল (সা.) বলেছিলেন, আয়াতুল কুরসি।

তাছাড়া অন্যতম একটা ফজিলত হচ্ছে আপনি যদি ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমান, তাহলে আল্লাহ তায়ালা আপনার জন্য একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন। যে কিনা আপনাকে সারারাত পাহারা দেবে কোন শয়তান আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না ‘ইনশাআল্লাহ‘।

উপসংহারঃ আশা করি আপনি জানতে পেরেছেন আয়াতুল কুরসি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত। তাছাড়া আমি আপনাদের সাথে আয়াতুল কুরসির কয়েকটা ফজিলত শেয়ার করেছেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।