Advertise

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে | ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, আজকে অনেকদিন পরে আপনাদের জন্য আরেকটা খুব প্রয়োজনীয় আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছে। আজকের এই আর্টিকেল এর মূল বিষয়বস্ত হচ্ছে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে। এ বিষয়টি জানাও বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিকের জন্য একটা বিশেষ প্রয়োজনীয় বিষয়।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে | ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে


কেননা আমরা যেহেতু প্রতিনিয়তায় এই আইডি কার্ড ব্যবহার করে থাকি তাই আমাদের আইডি কার্ড রিলেটেড প্রায় অনেক কিছু জানা দরকার। যেমন আপনি যদি আপনার ভোটার তথ্য যাচাই করতে চান তাহলে ভোটার তথ্য যাচাই করার নিয়ম জেনে নিতে পারেন।

তাছাড়া এমন আরো অনেক বিষয় রয়েছে যেগুলি কিনা আমরা এখনো পর্যন্ত জানিনা। তাই আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চান এবং কতদিন লাগে এই বিষয় জানতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটা অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

তাছাড়া আমাদের অনেক সময় আমাদের ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে হয়। সুতরাং সেই বিষয়টাও আপনি জেনে নিতে পারেন আপনার আগ্রহের উপর ভিত্তি করে। কেননা এই বিষয়টা ও আমাদের অনেক সময় প্রয়োজন পড়ে হঠাৎ করেই প্রয়োজনে চলে আসবে যেটা কিনা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

সুতরাং এখন আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আসলে মূলত আমরা যদি অনলাইনে মাধ্যমে কিনবো অফলাইন এর মাধ্যমে আমাদের ভোটার তথ্য সংশোধন করার জন্য দেই। তাহলে সেই সংশোধনের প্রসেসটা শেষ করতে আমাদের কতদিন সময় লাগবে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আর্টিকেলের প্রতি মনোযোগ দেয়া যাক।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে

আসলে মূল কথা হচ্ছে আপনার এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন লাগবে এই বিষয়টা কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে পারবে না। তবে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর কাজ যত বেশি তাড়াতাড়ি চলমান থাকবে এবং কাজের ঝামেলা থাকবে না সরকার কর্তৃক অফিসের মধ্যে তাহলে আপনার আইডি কার্ড টা তাড়াতাড়ি সংশোধন হয়ে যাবে।

তাছাড়া এমন অনেক ক্ষেত্রে যেগুলো কিনা সংশোধন করার জন্য উপজেলা কিংবা জেলার মধ্যেই করা যায়। যদি আপনার আইডি কার্ডের মধ্যে ওই সমস্ত জিনিস সংশোধন করার প্রয়োজন পড়ে যেগুলো কিনা জেলা উপজেলাতে করা যায় তাহলে খুব দ্রুত পেয়ে যাবেন।

তবে আপনার যদি এমন কোন সংশোধন করার কিংবা চেঞ্জ করার প্রয়োজন পড়ে, যেগুলো কিনা সংশোধন করার জন্য সরাসরি সরকার কর্তৃক যে এনআইডি মেইন কার্যালয় রয়েছে সেখানে যেতে হয় তাহলে আপনার প্রসেসটা একটু দেরি হবে। কেননা সেই সমস্ত অফিসের মধ্যে অনেক ঝামেলা থাকে এবং অনেকেই আবেদন করে থাকে।

তাই আমি আপনাকে রিকমেন্ট করব ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন লাগে এই বিষয়টা ইন্টারনেটের মধ্যে খোঁজাখুঁজি না করে। আপনি যেহেতু আপনার ভোটার আইডি কার্ড টা সংশোধন করবেন তাই সরাসরি অনলাইন কিংবা অফলাইন এর মাধ্যমে আবেদনটা করে ফেলা উচিত।

কেননা আপনি যদি এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করেন যে, আমার আইডি কার্ড টা যদি সংশোধন করার জন্য আবেদন করি তাহলে কতদিন সময় লাগবে? তাহলে আপনার সময় লাস হবে এবং আপনার সংশোধনের আবেদনটা করা হবে না।

সুতরাং আপনি যদি ঠিক প্রচেষ্টা মেনে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের আবেদন টা করে ফেলেন তাহলে সে তার প্রসেস অনুযায়ী আপনার কাজটা কমপ্লিট হয়ে যাবে। সুতরাং বসে না থেকে সময় নষ্ট না করে এখনই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের আবেদন করেছিলেন এবং ঠিক সময়ে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র টা পেয়ে যান।

কেননা অফিসের যে সমস্ত কাজকর্ম হয়ে রয়েছে সেগুলো নিজ গতিতে চলতে থাকবে। তারা চিন্তা করবে না যে আপনারটা এখন আবেদন করা হয়নি কেন তারা তাদের কাজ করতে থাকবে এবং আপনি আপনার আবেদনটা করে ফেলুন খুব দ্রুত।

আশাকরি আপনি বুঝে গেছেন ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে এই রিলেটেড। সুতরাং আপনি যদি এই রিলেটেড আরও কয়েকটি বিষয় জানতে চান তাহলে নিচে দেওয়া লেখা গুলোও পড়ে ফেলুন।

আরো পড়ুনঃ নিউ ইসলামিক গজল | কলরবের নতুন ইসলামী গজল | ৫ টি কলরবের নতুন গজল

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে 

এখন আমরা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানবো সেটা হচ্ছে আমরা যেহেতু জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করব তো এখন একটা বিষয় জানবো সেটা হচ্ছে, আসলে মূলত জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার ক্ষেত্রে কত টাকার প্রয়োজন হয় অর্থাৎ ফি প্রদান করতে হয়। তাহলে চলুন সেই বিষয়টা জেনে নেয়া যাক।

এখানে মূলত সেই প্রদান করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সেক্টর রয়েছে। যেমন আপনি যদি প্রথমবারের মতো সংশোধন করার আবেদন করেন সেক্ষেত্রে ২০০ টাকা খরচ পড়বে। দ্বিতীয়বার আবেদন করার ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা খরচ পড়বে। এরপরের প্রত্যেক বার আবেদন করার ক্ষেত্রে ৪০০ টাকা খরচ পড়বে।

আমি এখানে যে উপরে ফি/খরচ শেয়ার করেছি সেটা মূলত জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের ক্ষেত্রে। সুতরাং এখানে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন বলতে প্রত্যেকটা নাগরিক জাতীয় পরিচয় পত্র করার সময় যে সমস্ত ফরম-২ তথ্য সাবমিট করে যেমন বাংলা এবং ইংরেজি নিজের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ এবং স্বাক্ষর ইত্যাদি।

সুতরাং উপর দেওয়া জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের ক্ষেত্রে আপনার খরচ কিংবা ফি প্রদান করতে হবে প্রথমবারের জন্য ২০০ টাকা, দ্বিতীয় বার করলে ৩০০ টাকা, এরপরের প্রত্যেকবারের জন্য ৪০০ টাকা করে খরচ দিতে হবে।

তত্ত্ব-উপাত্ত সংশোধনের ক্ষেত্রে:- এখানে তথ্য-উপাত্ত্ব সংশোধন বলতে বোঝানো হয়েছে আমি যে ওপরে ফি'টা আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি সেটা মূলত নির্দিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে। যেমন আমি বলেছিলাম মাতার নাম, পিতার নাম, স্বাক্ষর ইত্যাদি। তো এগুলো ছাড়া যদি আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে চান তাহলে সেগুলোকে তথ্য-উপাত্ত্ব সংশোধন বলে।

তো আপনি যদি তথ্য-উপাত্ত সংশোধন করেন তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনাকে ফি প্রদান করতে হবে প্রথমবারের জন্য ১০০ টাকা, পুনরায় দ্বিতীয় বার করলে ২০০ টাকা, পুনরায় তৃতীয়বার কিংবা এরপরে ৩০০ টাকা করে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

আরো পড়ুনঃ আমার লোকেশন কোথায় | হ্যালো গুগল আমি এখন কোথায় আছি | গুগল ম্যাপে মোবাইল লোকেশন বের

উপসংহারঃ আশা করি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি জানতে পেরেছেন ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত দিন লাগে এবং ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে এই বিষয় সম্পর্কে। আশা করি আপনি এই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url