Advertise

ভোটার তথ্য যাচাই করার নিয়ম | verification of voter information

আপনি যদি মাত্র দুই মিনিটে কিভাবে ভোটার তথ্য যাচাই করতে হয় এ বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন। কেননা আজকের এই আর্টিকেলটিতে NID details বের করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। তাছাড়া আজকের এই নিবন্ধের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে Nid service কিংবা ভোটার আইডি কার্ড চেক সম্পর্কে।



আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা কিনা এই বছর নতুন ভোটার হয়েছেন কিংবা নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছে যার জন্য আপনি চাচ্ছেন আপনার ভোটার তথ্যটা যাচাই করতে। তাহলে কিভাবে করবেন এইসব বিষয় আজকের এই নিবন্ধে আমি খুব ভালোভাবে বলে দেওয়ার চেষ্টা করব।

তাছাড়া ভোটার তথ্য যাচাই করার অন্যতম একটা মূল পয়েন্ট হচ্ছে, আমরা যখন কোন একজন লোককে বাসা ভাড়া দেই কিংবা আমরা যখন কোন এক কর্মকর্তাকে চাকরি দেই। তখন ওরা যে আমাদেরকে জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদান করে সেটা কি আসল নাকি নকল এটা চেক করার জন্যই ভোটার তথ্য যাচাই করতে হয়।

এছাড়াও আরেকটি প্রয়োজনীয় ভোটার তথ্য অনুসন্ধান করার ক্ষেত্রে হচ্ছে আমরা যখন নতুন ভোটার নিবন্ধন হওয়ার জন্য আবেদন করি তখন আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্রটা কমপ্লিট হয়েছে কিনা এটা জানার জন্যও অনলাইনে ভোটার তথ্য অনুসন্ধান করতে হয়।

যেহেতু আমাদের এনআইডি কার্ড টা বহু কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তাই এই কাজগুলো জানা আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয়। যেমন আপনি অফিস আদালত যেখানেই যান না কেন আপনার এন আইডি কার্ডের প্রয়োজন পড়বেই। বিশেষ করে আমরা যদি কোন একটা মোবাইল ব্যাংকিং হোক কিংবা ব্যাংক একাউন্ট খুলতে চাই সেক্ষেত্র এন আইডি কার্ড ছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না ( যদিও বা পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স এগুলো দিয়েও অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব)।

ভোটার তথ্য যাচাই করার নিয়ম

পূর্ববর্তীতে যখন আমরা এনআইডি যাচাই করতে চাইতাম অনলাইনের মধ্যে, তখন নির্বাচন কমিশনের যে ওয়েবসাইট রয়েছে সেখান থেকেই সরাসরি দেখা যেত। কিন্তু এখন একটা সৌভাগ্যের বিষয় হচ্ছে আমাদের জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে সেই পদ্ধতিটা বন্ধ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ভিন্ন আরেকটা পদ্ধতি অবলম্বন করার মাধ্যমে অর্থাৎ ভিন্ন সরকারের মাধ্যমে আপনি চেক করতে পারবেন কিংবা ভোটার তথ্য যাচাই করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি চাইলে এসএমএস এর মাধ্যমেও Nid details চেক দেখতে পারবেন।

ওহ, এখানে আমি যে পদ্ধতিটা নিয়েছে শেয়ার করেছি মূলত সেটা দিয়ে আপনারা শুধুমাত্র আপনাদের ফরম এবং স্লিপ নাম্বার দিয়ে আপনাদের ভোটার তথ্য অনুসন্ধান করতে পারবেন না। তবে আপনার কাছে যদি আইডি কার্ড নাম্বার এভেইলেবল থাকে তাহলে সেই ক্ষেত্রে সেটা দিয়ে ভোটার তথ্য যাচাই করতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক।

  1. সর্বপ্রথম ভূমি কর মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হব :- বর্তমান সময়ে যেহেতু বাংলাদেশ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আগে যে Nid service (বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন) ওয়েবসাইটটা বন্ধ রয়েছে ভোটার তথ্য যাচাই এর ক্ষেত্রে। তাই আপনাকে অন্য আরেকটি পদ্ধতিতে ভূমিকর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেখান থেকেই দেখতে হবে। সুতরাং আপনাকে সর্বপ্রথম ভূমিকর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে তো আপনি এখানে ক্লিক করুন।

  2. যাবতীয় ডিটেইলস ফিলাপ করুন :- ভোটার তথ্য যাচাই করার জন্য আপনি সর্বপ্রথম ভূমিকর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পরে আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বারটা টাইপ করতে হবে এবং আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বারটা টাইপ করতে হবে। সর্বশেষ আপনার জন্ম তারিখটি সঠিকভাবে সিলেক্ট করতে হবে সেখানে দেওয়া তারিখ থেকে। এই সমস্ত কাজগুলো আপনি কমপ্লিট করার পরে আপনাকে "পরবর্তী পদক্ষেপ" যে বাটন রয়েছে সেটাতে ক্লিক করতে হবে।

  3. Nid check বা ভোটার তথ্য দেখুন :- আপনি যখন আমার ওপরে দেখানো পদ্ধতি অনুযায়ী ভূমিকর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে। আপনার মোবাইল নাম্বার, জাতীয় পরিচয় পত্র এবং জন্ম তারিখটি বসিয়ে দিয়ে "পরবর্তী পদক্ষেপ" বাটনে ক্লিক করবেন আশা করি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সমস্ত ডিটেইলস ছবিসহ দেখতে পাবেন।

আমাদের মধ্যে প্রত্যেকের চাই কোন একটি কিছু সহজভাবে করতে। ঠিক তেমনি ভোটার তথ্য অনুসন্ধান কিংবা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে একটা সহজ পদ্ধতি আর সেটা হচ্ছে এসএমএস। আপনি চাইলে খুব সহজেই এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার স্মার্ট কার্ডের নাম্বারটা দেখতে পাবেন ১০৫ নাম্বারে এসএমএস করে।

আপনি যদি সম্প্রতি কয়েকদিন আগে ভোটার নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে থাকেন এবং আপনি এখনো পর্যন্ত আপনার আইডি কার্ডটা হাতে না পান। তাছাড়া আপনি যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কিংবা ভোটার তথ্য জানতে না পারেন তাহলে নিচের পদ্ধতিটা অনুসরণ করতে পারেন।

এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার তথ্য যাচাই

যারা নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো কোন একটা দুর্ঘটনা কিংবা কিভাবে হাতে পেতে হয় এসব বিষয় না জানার কারণে পাচ্ছেন না তারা নির্দিষ্ট একটা ফরমেটে এস এম এস লিখে ১০৫ এই নাম্বারে পাঠিয়ে দিন।

বিস্তারিতঃ তার জন্য সর্বপ্রথম আপনি আপনার এসএমএস এর যে ফোল্ডার রয়েছে সেটাতে প্রবেশ করুন এবং নতুন এসএমএস লেখার অপশনটা চয়েস করুন। এসএমএস লিখুন ঠিক এইভাবে, সর্বপ্রথম SC <একটা স্পেস> F <একটা‌ স্পেস>‌‌ ভোটার করার সময় যে স্লিপটা পেয়েছেন সেখানে যে নাম্বারটা আছে সেটা টাইপ করুন <একটা স্পেস> D <একটা স্পেস>‌ YY-MM-DD (এই ফরমেটে তারিখ লিখুন)। সর্বশেষ পাঠিয়ে দিন 105 নাম্বারে।

উদাহরণস্বরূপঃ‌ SC F 0000000 D 2004-12-31 এবং পাঠিয়ে দিন 105 নাম্বারে। অবশ্যই এখানে যে উদাহরণটা দেওয়া আছে সে অনুযায়ী লেখে আপনার তথ্যটা পরিবর্তন করবেন।

এসএমএস এর মাধ্যমে ভোটার তথ্য দেখার নিয়ম

আপনি যখন আমার দেখানো পদ্ধতি অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট ফরমেটে এসএমএস লিখে ১০৫ নাম্বারে এসএমএস টা সেন্ড করে দিবেন তখন সর্বোচ্চ আপনাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। যদি আপনার দেবার তত্য এবং আপনার কাজটা ভুল হয় তাহলে আপনি আপনার এন আইডি তথ্য পাবেন না।‌ তবে হ্যাঁ একটা কথা মাথায় রাখবেন সেটা হচ্ছে, এসএমএস সেন্ড করার আগে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালেন্স থাকতে হবে আপনার সিমে।

আরো পড়ুনঃ 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url