Advertise

জন্ম নিবন্ধন যাচাই | নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের জন্য একটা বিষয় স্পষ্টভাবে জানা দরকার সেটা হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন যাচাই সম্পর্কে। সম্প্রতি আমাদের বাংলাদেশের নাগরিকের মধ্যে অনেকেই এই বিষয়টা নিয়ে অনেক ভোগান্তির শিকার হয়েছিল। অথচ আপনি যদি জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম 2022 সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন তাহলে আপনার হাতের নাগালে যে স্মার্ট ফোন/ল্যাপটপ/কম্পিউটার রয়েছে সেটার মাধ্যমেই চেক করে নিতে পারবেন।

শুধু তাই নয় আপনি চাইলে অনলাইন থেকে আপনার জন্ম সনদ টা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন মুহূর্তের মধ্যেই। সুতরাং আজকের এই আর্টিকেলটিতে মূলত আমি যে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করব সেটা হচ্ছে ‌জন্ম নিবন্ধন যাচাই সম্পর্কে বিস্তারিত।

তাছাড়া এই রিলেটেড আরো কয়েকটা বিষয় লিখে অনেক মানুষ গুগল করে। তাই আমি চিন্তা করেছি আজকের মূল টপিকের পাশাপাশি সেই রিলেটেড আরো কয়েকটা টপিক আপনাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার। সুতরাং আপনারা যদি খুব ভালোভাবে এবং জানার আগ্রহী হয়ে পড়েন তাহলে অনেক উপকারে আসবে। তাহলে চলুন আর কত না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই
জন্ম নিবন্ধন যাচাই


তবে তার আগে আমাদেরকে একটা বিষয় জানা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে আসলে মূলত জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য কি কি জিনিসের প্রয়োজন হয়। তাই আমরা এটাও জানবো সাথে আরেকটা বিষয় জানবো সেটা হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন যাচাই আসলে কি।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই কি?

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন চেক কিংবা যাচাই হচ্ছে এমন একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক যে অনলাইন ডাটাবেজ রয়েছে (যেখানে সকল নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন সংরক্ষণ করা থাকে) সেখানে কোন একজন গ্রাহকের জন্ম নিবন্ধন অ্যাভেলেবেল রয়েছে কিনা সেটা চেক করা।

ডিজিটাল জন্ম সনদ কি?

প্রত্যেকটা নাগরিকের ডিজিটাল জন্ম সনদ ওই জন্ম নিবন্ধন কে বলা হয় যেটা কিনা অনলাইনে মধ্যেই এভেলেবেল থাকে। যেটাকে আবার অনেকেই অনলাইনে সার্ভারে আছে বলে ধারণা করে। সুতরাং আপনার জন্ম নিবন্ধনটা যদি অনলাইনে পাওয়া যায় এবং সেখান থেকে ডাউনলোড করে নেওয়া যায় তাহলে বুঝবেন সেটা ডিজিটাল জন্ম সনদ।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে কি কি প্রয়োজন?

আমরা যেহেতু আজকের এই আর্টিকেল এর মধ্যে কিভাবে প্রত্যেক নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন চেক করা যায় সেই বিষয় সম্পর্কে জানব। তাই এর আগে একটি বিষয় জানা দরকার সেটা হচ্ছে আসলে মূলত কি কি প্রয়োজন হয় এই কাজগুলো করতে। সেগুলো নিচে দেওয়া হল।

  • এমন একটা ডিভাইস যেটাতে কিনা ইন্টারনেট কানেকশন রয়েছে এবং ব্রাউজিং করা যায়।
  • যে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করবেন সেটার যে নাম্বারটা রয়েছে সেটা কালেক্ট করতে হবে
  • আপনার কালেক্ট করা নাম্বার অনুযায়ী সেই জন্য সনদের জন্ম তারিখ
  • সর্বশেষ একটা ক্যাপচা পূরণ করতে হবে (নিচে আমি এটা কি বলে দিয়েছি)

জন্ম নিবন্ধন যাচাই | অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম 

আসলে জন্ম সনদ যাচাই করা কিংবা জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা অত্যন্ত সহজ একটি প্রক্রিয়া। যেটা কিনা অনেক মানুষ প্রতিনিয়ত তাদের অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহার করতেছে। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে স্টেপ বাই স্টেপ শেয়ার করার চেষ্টা করব কিভাবে আপনারা আপনাদের জন্ম নিবন্ধন চেক করবেন।

তাছাড়া কম বেশি আমরা সকলেই জানি অনলাইন থেকে খুব সহজেই হারিয়ে যাওয়ার জন্ম নিবন্ধন ডাউনলোড করা যায়। সুতরাং আপনার তাও যদি হারিয়ে যায় তাহলে কিভাবে ডাউনলোড করবেন এই বিষয়টাও তুলে ধরার চেষ্টা করব। তাই আর কথা না বাড়িয়ে আর্টিকেলের প্রতি মনোযোগ দেই।

ওহ, অবশ্যই আর্টিকেলটি যদি আপনি ভালোভাবে বুঝতে চান তাহলে আমার দেওয়া স্টেপ গুলো ভালোভাবে ফলো করুন। এখানে স্টেপ বাই স্টেপ আমি আপনাদেরকে ভালোভাবে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।

১. জন্ম নিবন্ধন যাচাই করণ ওয়েব সাইটে প্রবেশ করুন



আমরা যখন আমাদের জন্ম নিবন্ধন সেটা অনলাইনে আছে কিনা চেক করতে কোন একটা কম্পিউটারের দোকানে যায়, তখন তারা কোন একটা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেই আমাদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আছে কিনা চেক করে।

আদৌ কি আপনি জানেন আসলে সেই ওয়েবসাইট টা কি? মূলত সেই ওয়েবসাইটটা হচ্ছে এমন একটি ওয়েবসাইট যেটা কিনা সম্পুর্ন ভাবে সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়ে থাকে। এই ওয়েবসাইটের সার্ভারে বাংলাদেশের যে সমস্ত নাগরিকের জন্ম সনদ হয়েছে কিংবা ডিজিটাল জন্মস্থান আছে তাদের জন্ম সনদ গুলো এড করে থাকে।

মূলত এখানে জন্ম সনদ যাচাই বলতে আপনার জন্ম নিবন্ধন টা অনলাইন ডাটাবেসে আছে কিনা সেটা চেক করা। সুতরাং আপনারটাও আছে কিনা সেটা চেক করতে আপনাকে তাদের সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

তাদের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন কিংবা গুগল গিয়ে সার্চ করুন everify.bdris.gov.bd এই আমি যে ওয়েবসাইট টা আছে সেখানে প্রবেশ করুন। প্রবেশ করার পরে নিচের ছবির মত একটা ওয়েব পেজ আপনি দেখতে পাবেন।

২. Birth registration number টাইপ করুন



প্রথম স্টেপের মধ্যে আমি আপনাদের সাথে অবশ্যই একটা ওয়েবসাইট শেয়ার করেছিলাম। যেটা কিনা মূলত সরকার কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশ নাগরিকদের সেবা দানকারী একটি ওয়েবসাইট। সুতরাং সেখানে প্রবেশ করার পরে আপনি অনেকগুলো খালি বক্স দেখতে পাবেন।

মূলত এগুলো হচ্ছে এক একটা খালি ঘর এগুলো আপনাকে পূরণ করতে হবে। প্রথম বক্স যেটা রয়েছে সেখানে লেখা আছে birth registration number সুতরাং এই বক্সের মধ্যে আপনাকে আপনার জন্ম নিবন্ধনের মধ্যে যে ১৭ ডিজিটের জন্ম সনদ নাম্বারটা রয়েছে সেটা প্রবেশ করাতে হবে।

তবে অবশ্যই আপনার নাম্বারটা ১৭ ডিজিটের হতে হবে। তাছাড়া আমরা অনেক সময় দেখতে পাই অনেক লোকজনের জন্ম সনদ নাম্বার ১৬ ডিজিটের রয়েছে। সুতরাং আপনারটাও যদি ১৬ ডিজিটাল হয় তাহলে কাজ করবে না সুতরাং এটাকে আবার ১৭ ডিজিটে রূপান্তরিত করতে হবে।

৩. জন্ম তারিখটি সঠিকভাবে প্রবেশ করুন



এই স্টেপের মধ্যে আপনাকে অবশ্যই আপনার জন্ম তারিখটি সঠিকভাবে প্রবেশ করাতে হবে সেখানে কোন একটা নির্দিষ্ট বক্সে। সেই নির্দিষ্ট বক্স হচ্ছে আমরা দ্বিতীয় নম্বরে একটা বক্স দেখতে পাবো ‌ date of birth নামে। মূলত সেই বক্সের মধ্যে আপনার সঠিক জন্ম নিবন্ধন তারিখ (আপনার জন্ম তারিখ) প্রবেশ করাতে হবে।

অবশ্যই এই সব তথ্য সঠিক হতে হবে, যদি আপনার তথ্য সার্ভারে থাকা তথ্যের সাথে মিল না হয় তাহলে শো করবে না। তাই অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধনের মধ্যে যে সবগুলো তথ্য দেওয়া আছে একটি সেইভাবেই দেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে চলুন পরবর্তী স্টেপে যাওয়া যাক।

৪. ক্যাপচা পূরণ করুন



এই স্টেপের মধ্যে আপনাকে একটা ক্যাপচা পূরণ করতে হবে। এখানে ক্যাপচা বলতে আপনি একদম শেষে একটা খালি ঘর দেখতে পাবেন ঠিক তার উপরে একটা সংখ্যা দেওয়া আছে অথবা যোগ বিয়োগ ইত্যাদি কোন একটা অংক দেওয়া থাকবে, তার উত্তর কি হবে সেটা আপনাকে সেই বক্সের মধ্যে লিখতে হবে।

মূলত এটা আপনি যে মানুষ এটা ভেরিফিকেশন করার জন্য আশা করি করা হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি সঠিক উত্তরটা সেই বক্সের মধ্যে বসিয়ে দিন যেমন যদি বক্সের ওপর লেখা থাকে ১+১ তখন আপনাকে বক্সের মধ্যে লিখতে হবে যোগফল কি অর্থাৎ ২ (দুই) বসাতে হবে।

আপনাকে এখানে তৃতীয় বক্স বলতে ওই বক্সকে বোঝানো হয়েছে যেটার নাম কিনা The answer is সুতরাং এই নামে যে বক্সটা আসবে সেখানে আপনার উত্তরটা বসিয়ে দিন অর্থাৎ ক্যাপসাটা পূরণ করে ফেলুন।

মূলত এই ক্যাপচা পূরণ করার মূল কারণ হচ্ছে আপনি যে হিউম্যান এটা জানার জন্য। অর্থাৎ আপনি মানুষ কিনা সেটা তারা যাচাই-বাছাই করবে কেননা রোবোটিক সিস্টেম যেটা আছে অনলাইনের মধ্যে সেটা মূলত ক্যাপচা পূরণ করতে পারেনা। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।

৫. Search বাটনে ক্লিক করুন



এখন আপনার কাজ হচ্ছে উপরে দেওয়া আপনার যে তথ্যগুলো প্রোভাইড করেছেন সেগুলো ঠিকঠাক আছে কিনা দেখা। সবগুলো যখন ঠিক আছে বলে আপনি মনে করবেন ঠিক তখনই এই স্টেপের মধ্যে আসবেন। মূলত শুধুমাত্র এই স্টেপের মধ্যে একটা কাজ বাকি রয়েছে সেটা হচ্ছে আপনার জন্ম সনদটা অনলাইনে যাচাই করা কিংবা চেক করা।

সুতরাং আপনি যদি আপনার জন্ম সনদ অনলাইনে আছে কিনা সেটা চেক করতে চান তাহলে ইতিমধ্যে আপনি জেনে গেছেন কি কি জিনিস আপনার প্রয়োজন হবে এবং কি কি করতে হবে। এখন আর বাকি শুধুমাত্র একটা কাজ করলেই আপনার জন্ম সনদ যদি অনলাইনে থাকে তাহলে আপনি দেখতে পাবেন।

তো আপনার জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে দেওয়া স্টেপস কমপ্লিট করার পরে সর্বশেষ নিচে যে Search বাটনটা রয়েছে সেখানে ক্লিক করুন। যদি আপনার জন্ম নিবন্ধনটা অনলাইনে থাকে তাহলে আপনার সামনে সবগুলো তথ্য চলে আসবে আপনার জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী। আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে জন্ম নিবন্ধন যাচাই কিংবা অনুসন্ধান করতে হয়।

অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাই | অনলাইনে জন্ম সনদ চেক করার নিয়ম

আপনি কি আপনার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে চান? তাহলে আর দেরি কেন আজকের এই আরটিকেল থেকে জেনে নেই কিভাবে চেক করা যায়। আমি আগেই বলেছিলাম এটা কি খুব সহজে প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কেউ চাইলে তাদের স্মার্টফোন কিংবা ব্রাউজিং করা যায় এমন কোন ডিভাইসে কাজ করা যায়।

সুতরাং আপনার কাছে যদি এমন কোন ডিভাইস অর্থাৎ স্মার্টফোন/ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার থেকে থাকে তাহলে আর দেরি কেন আপনি নিজেই আপনার ঘরে বসে চেক করে নিন আপনার জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আছে কিনা।

তবে এর জন্য আপনাকে অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রোভাইড করতে হবে আপনার হাতে যে জন্ম নিবন্ধন রয়েছে সে অনুযায়ী। বিশেষ করে সেখান থেকে যে জিনিসগুলো চাওয়া হয় সেগুলো হচ্ছে আপনার জন্ম নিবন্ধনের মধ্যে যে নাম্বারটা রয়েছে সেটা এবং আপনার জন্ম তারিখটা।

তাই আপনি যদি এই কাজটা নিজেই করতে চান কিভাবে করবেন এ নিয়ে চিন্তায় দেখেন তাহলে আর্টিকেলটি অবশ্যই শুরু থেকে পড়ে আসবেন। কেননা আমি আর্টিকেলের উপরেই বর্ণনা করেছি কিভাবে আপনি আপনার এই কাজটা কমপ্লিট করবেন। আসলে এই কাজটা ঘরে বসেই করা যায় যদি আপনার ডিভাইস ইন্টারনেট কানেকশন থাকে এবং ব্রাউজিং করা যায়।

আরো পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন যাচাই কপি

নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

আসলেই কি শুধুমাত্র নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা যায়? আপনি যদি এই প্রশ্নের উত্তর কি হবে সেটা জানতে চান তাহলে এখান থেকে জেনে নিতে পারবেন। আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা কিনা শুধুমাত্র নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে তাদের জন্ম নিবন্ধনটা ডিজিটাল জন্ম সনদ কিনা এটা জানতে চাই।

তবে দুর্ভাগ্যবশত আপনি এই কাজটা নিজেই করতে পারবেন না শুধুমাত্র নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে। কেননা আপনাকে সরকার কর্তৃক এই রাইটটা দেওয়া হয়নি যে, আপনি শুধুমাত্র যে কার নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে ই তার জন্ম সনদটা দেখতে পারবেন।

তবে ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পৌরসভার যে সমস্ত লোকজন এই সমস্ত কাজে নিয়োজিত রয়েছে তাদেরকেই এই রাইটটা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আপনার জন্ম সনদটা যদি হারিয়ে যায় তখন আপনি খুব সহজেই আপনার নাম এবং জন্ম তারিখটা বলে দিলে তাদের রাইট অনুযায়ী আপনার জন্ম সনদটা বাহির করে দিবে।

সুতরাং আমি আবারো বলছি শুধুমাত্র তাদের পক্ষে সম্ভব এই কাজটা করা। যে কারো জন্ম সনদের তারিখ এবং নাম দিয়ে তারা চাইলে সেটা চেক করে নিতে পারবে ডাটাবেজ থেকে। যেটা কিনা যেকোনো সাধারণ লোক এটা করতে পারবে না। আপনি যেই হোন না কেন যদি সরকার কর্তৃক এই অনুমোদন আপনাকে দেওয়া না হয় তাহলে কখনো পারবেন না। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

আরো পড়ুনঃ কিভাবে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা যায়।জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম।

কোড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই

আবার আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কিনা google এ একটা বিষয় লিখে সার্চ করে সেটা হচ্ছে কোড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই। আসলে মূলত সেই লোকজন এখানে কোড বলতে কি বোঝাতে চাইছে সেটা আমি জানিনা। তবে আমি বলতে পারি হয়তো তারা জন্ম নিবন্ধনের যে নাম্বারটা রয়েছে সেটার কথা বলতেছি।

তাহলে চলুন এই বিষয়টা একটু জেনে নিন আদৌ কি শুধুমাত্র কোড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন চেক করা যায়? যদি যায় তাহলে কিভাবে যদি না যায় তাহলে কেন জানিনা? এইসব প্রশ্নের সমাধান আজকের এই আর্টিকেল থেকেই পেয়ে যাবেন। তাহলে আর দেরি কেন এই বিষয়টা একটু জেনে নিই।

দুর্ভাগ্যবশত আপনি যদি একজন সরকারি কর্মকর্তা না হন অর্থাৎ আমরা অনেক সময় পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদে যখন কোন একটা কাজের জন্য যায় তখন সেখানে অনেক কর্মকর্তা দেখতে পায়। যেমন অনেকে আছেন কম্পিউটার টাইপিং নিয়ে ব্যস্ত আবার অনেকে আছেন স্বাক্ষর দেওয়ায় জন্য ব্যস্ত।

তাদের কর্মকর্তার মধ্যে এমন অনেক লোক আছে যাদেরকে সরকার কর্তৃক অনলাইনের জন্ম সনদ এর কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য অনুমোদন দিয়ে থাকে। সুতরাং তারা ব্যতীত আপনি যদি একজন সাধারণ লোক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কোনভাবেই পারবেন না শুধুমাত্র কোড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে।

আরো পড়ুনঃ জন্ম সংশোধন অনলাইনে আবেদন।

যেহেতু সরকারি কর্তৃক আপনাকে সে রাইটটা দেওয়া হয়নি‌ তাই মূলত আপনি এই কাজটা করতে পারবেন না। তাই আপনি যদি আপনার জন্ম নিবন্ধন চেক করতে চান অনলাইনের মাধ্যমে তাহলে অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধন কোড কিংবা জন্ম নিবন্ধন নাম্বার থাকার পাশাপাশি আর একটা জিনিস লাগবে সেটা হচ্ছে যে জন্ম নিবন্ধন নাম্বারের অনলাইন চেক করবেন তার জন্য তারিখ।

তাই আপনি যদি এসব বিষয় সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমি আপনাকে রিকমেন্ড করব আপনি যেন আর্টিকেলটি খুব ভালোভাবে শুরু থেকে পড়ে আসেন। কেননা এসব বিষয় নিয়ে আমি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

নিবন্ধন যাচাই ১৯৮৬০৯১৫৪২৮গা৭৩৫১

আপনি খুব সহজেই নিবন্ধন যাচাই ১৯৮৬০৯১৫৪২৮গা৭৩৫১ করতে পারবেন। তার জন্য সর্বপ্রথম https://everify.bdris.gov.bd/ এই সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন এবং আপনার জন্ম নিবন্ধন নাম্বারটা প্রবেশ করুন। তারপর আপনার সেই জন্ম নিবন্ধন নাম্বার অনুযায়ী জন্ম তারিখটা প্রবেশ করিয়ে একটা ক্যাপশন পূরণ করলেই আপনি আপনার জন্ম নিবন্ধন দেখতে পাবেন।

১৬ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন যাচাই

১৬ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য আপনার ১৬ ডিজিটকে ১৭ ডিজিটে রূপান্তরিত করতে হবে। তবে তেমন কোন পদ্ধতি খুঁজে পাওয়া যায় না ১৬ ডিজিট থেকে ১৭ ডিজিটৈ রূপান্তরিত করার জন্য। তবে আপনি ট্রাই করে দেখতে পারেন যে আপনার ১৬ ডিজিটের যে জন্ম নিবন্ধন নাম্বারটা রয়েছে তার শেষ ৫ ডিজিট এর আগে একটা ০ বসিয়ে দিলে সেটা ১৭ ডিজিট হয়ে যাবে এভাবেই আপনি ১৬ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন।

১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন যাচাই

আপনি যদি ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে চান তাহলে এটা একটি খুব সহজ প্রক্রিয়া। কেননা তার জন্য আপনাকে শুধুমাত্র everify.bdris.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে। তারপর যখন আপনার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং সেই অনুযায়ী আপনার জন্ম তারিখ বসিয়ে দিবেন, তারপর একটা ক্যাপচা পূরণ করে ‌search বাটনে ক্লিক করলেই ১৭ ডিজিট এর জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই অ্যাপস

আপনি যদি জন্ম নিবন্ধন চেক করতে চান অ্যাপ ব্যবহার করার মাধ্যমে তাহলে এটাও একটি সহজ প্রক্রিয়া। কেননা আপনাকে আবার কোন একটা ব্রাউজার ওপেন করতে হচ্ছে না এক্ষেত্রে। সুতরাং আপনি যদি জন্ম নিবন্ধন যাচাই অ্যাপস এর মাধ্যমে করতে চান তাহলে প্লে স্টোরে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন অ্যাপস লিখে সার্চ করতে পারেন। সুতরাং সেখানে যদি কোনো apps থেকে থাকে তাহলে ডাউনলোড করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd

আপনি যদি আপনার জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে চান তাহলে everify.bdris.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার এবং সর্বশেষ আপনার জন্ম তারিখ yyyy mm dd এই ফরমেটে দিয়ে search বাটনে ক্লিক করলে ‌জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd দেখতে পাবেন।

You have to wait 3 minutes

wait...

উপসংহারঃ আজকে আমি আপনাদের সাথে যে বিষয়টা শেয়ার করলাম সেটা হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন যাচাই সম্পর্কে। সুতরাং আপনি যদি আজকের এই আর্টিকেল থেকে কোন উপকার পান তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধু বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছে শেয়ার করবেন। যেন তারাও এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা জেনে যায়।

আরো পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম 2022। jonmo nibondhon online korar niom 2022

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url