Advertise

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো | How to create a Gmail account | ইমেইল ও জিমেইল এর পার্থক্য

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো
জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো


জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো - আজ এই আধুনিক সময়ের মধ্যে আমাদের মোবাইল কম্পিউটার ইত্যাদির মধ্যে সবচেয়ে ব্যবহৃত যে জিনিসটা হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে ইমেইল। আপনি অনলাইনে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন কিংবা অফলাইনে দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রেই আমাদেরই সেই ইমেইলের প্রয়োজন পড়ে।

আপনি কি অনলাইন থেকে আয় করার কথাটা মাথায় এনেছেন, একটি সিকিউরিটি ভিত্তিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার কথা ভাবতেছেন, কিংবা আপনি অনলাইন থেকে শপিং করা থেকে শুরু করে চাকরির জন্য বায়োডাটা দেওয়া সবখানেই আসলে একটি ইমেইলের প্রয়োজন পড়ে।

আসলে সত্যি কথা বলতে এখন প্রায় অনেকের কাছেই একটা একটা করে জিমেইল কিংবা ইমেইল একাউন্ট রয়েছে আবার অনেকের কাছেই ৫-৬ এটা করে ইমেইল অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাছাড়া আমরা যখন নতুন অফিসিয়ালি একটা মোবাইল ক্রয় করার জন্য যায় তখন সেখানেও রেজিস্ট্রেশন করার সময় আমাদের ইমেইল একাউন্ট একটি ক্রিয়েট করতে হয়।

যার কারণে আসলে বলার আসলে প্রায় ৯০% স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছে রয়েছে এক একটি করে জিমেইল অ্যাকাউন্ট। তাই আপনি যদি এই অনেক জরুরী অন্য একটি ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করতে চান এবং সে সম্পর্কে আইডিয়া নেই তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। কেননা আজকে আমি আপনাদের সাথে সেইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

সুতরাং আজকে আমি একটি Gmail এ ইমেইল একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় সেটা বলার চেষ্টা করব। সবচেয়ে একটি মজার বিষয় হচ্ছে আমাদের এই নিত্য প্রয়োজনীয় ইমেইল একাউন্ট খুলতে কোন প্রকার টাকা খরচ হয়না। জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো বলতে গেলে এই প্রশ্নের আন্সার টা অনেক সুজা।

অর্থাৎ gmail account আসলে আপনি খুব সহজেই শুধুমাত্র আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমে ২-৩ মিনিটের মধ্যেই একটা ক্রিয়েট করে ফেলতে পারবেন। সেটা কিভাবে এইসব বিস্তারিত জানার জন্য অবশ্যই আর্টিকেলটি আপনি শুরুতে শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

এবং অবশ্যই আপনি আর্টিকেলটি আমি যেভাবে বলেছি সেভাবে ফলো করে সেই অনুযায়ী একটি একাউন্ট ক্রিয়েট করার চেষ্টা করবেন। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়ি শুরু করা যাক কিভাবে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলতে হয়।

অরো পড়ুনঃ

How to create a Gmail account | how to create a Google account

তবে আমরা যেহেতু আজকে জিমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করব তাই আপনাদেরকে আগেই একটা বলে দেই। আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা কিনা google account ক্রিয়েট করার নিয়ম লিখে গুগলে সার্চ করেন।

আসলে মূলত এখানে জিমেইল একাউন্ট এবং গুগল একাউন্ট দোনোটাই একটা। অর্থাৎ আপনি যদি জিমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করার নিয়ম জানেন তাহলে আপনি গুগল অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করার নিয়মও জেনে গেছেন। কেননা দুটো আসলে এক জিনিস মূলত এই দুইটিকে ভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে।

কেননা আসলে জিমেইল হচ্ছে একটি গুগলের প্রোডাক্ট এর মধ্যে অন্যতম। যেটাকে ছাড়া মূলত প্রায় গুগলের অনেক সেবা পেতে মুশকিল হয়ে যায়। যেমন আপনি যদি প্লে স্টোর থেকে কোন একটা অ্যাপস ডাউনলোড করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সেখানে গুগল কিংবা জিমেইল একাউন্ট দিয়ে প্লে স্টোরে লগইন করতে হবে।

আসলে মূলত আপনি একটি ফ্রি ভাবে ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করার জন্য বিভিন্ন রকম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন যেমনঃ ইয়াহো (yahoo), হটমেইল (hotmail), জিমেইল (gmail) ইত্যাদি। তবে জিমেইল যেহেতু একটি google এর অন্যতম প্রোডাক্ট এবং এটা অনেকাংশেই কাজে লাগে।

অর্থাৎ আমরা গুগলের অনেকগুলো সেবা ব্যবহার করে থাকি প্লে স্টোর থেকে শুরু করে গুগলে কোন একটা জিনিস সার্চ করা কিংবা ইউটিউবে ভিডিও দেখা প্রায় অনেক জিনিসই ব্যবহার করে থাকি। আসলে মূলত সবগুলোই গুগলের একটি একটি প্রোডাক্ট।

সুতরাং জিমেইল যেহেতু গুগলের একটি প্রোডাক্ট এবং আমরা গুগলের সেবা ব্যবহার করে থাকি, তাই আজকে আমি আপনাদেরকে জানাবো, কিভাবে একটি জিমেইল এর মাধ্যমে আপনার কাঙ্ক্ষিত ইমেইল একাউন্টটা ক্রিয়েট করবেন।

আশা করি আপনি যদি জিমেইল দিয়ে একটি ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করেন তাহলে আপনি প্রায় সব ধরনের কাজেই এই অ্যাকাউন্ট দ্বারা কার্যক্রম করতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো এই প্রশ্নের অ্যানসার টা দিয়ে আসি।

ইমেইল কি?

ইমেইল হচ্ছে মূলত ইলেকট্রনিক মেইল (electric mail) যার মাধ্যমে আপনি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব দ্রুত এবং খুব সহজেই ছবি ভিডিও এবং ডকুমেন্টস ইত্যাদি সেন্ড করতে পারবেন। তার জন্য অবশ্যই প্রেরণকারী এবং প্রেরকের উভয়ের কাছেই ইমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। অর্থাৎ কোন একটা ছবি ভিডিও কিংবা ডকুমেন্টস এক ইমেল থেকে আপনি অন্য ইমেইলে যে কোন জায়গায় পাঠাতে পারবেন।

সুতরাং আপনার কাছে যদি একটা ইমেইল থাকে এবং আপনাকে যদি কেউ মেয়েদের মধ্যে কোন কিছু পাঠায় (ছবি,ভিডিও,ডকুমেন্টস ইত্যাদি) তখন আপনি আপনার জিমেইলের মধ্যে যে মেইলবক্সে রয়েছে সেখানে সেই ডকুমেন্টস ছবি কিংবা ভিডিও গুলো দেখতে পাবেন। এবং সেখান থেকে আপনি যখন ইচ্ছে আপনার খুশি অনুযায়ী পড়ে নিতে পারবেন এবং সেখানে সেগুলো সংরক্ষিত থাকবে।

সুতরাং আপনি যদি এই ইলেকট্রনিক মেইল টা ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে স্মার্ট ফোন/ল্যাপটপ/কম্পিউটার ইত্যাদি এবং সাথে আপনার প্রয়োজন হবে ইন্টারনেট কানেকশন।

এটি আপনি নিঃসন্দেহে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ কোন প্রকার খরচ আপনাকে করতে হবে না। এটাই হচ্ছে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধা। 

কেননা আমরা যদি কোন একটা ডকুমেন্ট কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানোর প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনাকে অনেক টাকা খরচ করতে হবে। তাই অবশ্যই আমি সবচেয়ে ডকুমেন্টস কিংবা অন্যান্য ডাটা পাঠাতে সবচেয়ে মূল্যবান মনে করি ইমেইল কে।

বর্তমানে সুমির মধ্যে কারো সাথে যোগাযোগ করার জন্য অন্যতম একটা ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ইমেইল একাউন্ট। অর্থাৎ আপনার যদি এমন কোন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করার প্রয়োজন পড়ে যার কাছে কিনা ইমেইল একাউন্ট রয়েছে। তাহলে আপনি খুব সহজেই তার সাথে ইমেইল করে আপনার কথাগুলো শেয়ার করতে পারেন।

শুধুমাত্র আপনার হাতে থেকে স্মার্টফোনের মাধ্যমে করে নিতে পারবেন তাছাড়া অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে করা যায় যেগুলোতে ইমেইল সাপোর্ট করে। অর্থাৎ এমন প্রত্যেকটা ডিভাইস যেখানে কিনা ইমেইল সাপোর্ট করে সেখানে আপনি ইমেইল একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে।

এখানে আপনি প্রায় অনেক ধরনের জিনিস পাঠাতে পারবেন ছবি থেকে শুরু করে ভিডিও এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিরাপদ আকারে পাঠাতে পারবেন আপনার বন্ধু-বান্ধব কিংবা অন্যান্যদের কাছে।

আপনি দিনে কিংবা রাতে দিনরাত 24 ঘন্টা যেকোনো সময়ের মধ্যে আপনি ইমেইল পাঠাতে পারবেন এবং পড়তে পারবেন। তবে আপনি যদি অনলাইনে কোন একটা কাজ করতে চান প্রায় ৯০ শতাংশ কাজেই আপনার ইমেইলের প্রয়োজন হবে।

বিশেষ করে আপনি যদি অনলাইনের মাধ্যমে কোন একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন সেখানে যোগাযোগ করার অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে আপনি ইমেইলকেই ব্যবহার করতে পারেন।

তাই আপনার যদি কোন না কোন সময় বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কোন একটা ডকুমেন্টস কিংবা ফটো, ভিডিও ইত্যাদি পাঠাতে চান তাহলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন।

আশা করি এ পর্যন্ত আপনি জানতে পেরেছেন ইমেইল কাকে বলে এবং ইমেইল কি/what is email । তাই আপনি যদি ইমেইল একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয় এবং ইমেইল একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়বেন।

আরো পড়ুনঃ

ইমেইল ও জিমেইল এর পার্থক্য 

ইমেইলঃ ইমেইল হচ্ছে এমন একটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমনঃ স্মার্ট ফোন/ট্যাবলেট/ল্যাপটপ এবং কম্পিউটার ইত্যাদি ব্যবহার করার মাধ্যমে ইন্টারনেট ভিত্তিক বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম।এটি ইন্টারনেট জুড়ে কাজ করে এবং কম্পিউটিং শক্তির সাথে আসা বেশিরভাগ ডিভাইস ইমেল সিস্টেমের সাথে আসে।

জিমেইলঃ জিমেইল হচ্ছে এমন একটি ইমেইল পরিষেবা যেটা কিনা গুগলের দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। এটি এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ইমেইল পরিষেবার মধ্যে অন্যতম। ইন্টারনেট কিংবা ইলেকট্রনিক ভিত্তিক বার্তা আদান-প্রদানের ব্যবহৃত যে সমস্ত ওয়েবভিত্তিক ইমেইল পরিষেবা রয়েছে তার মধ্যে এটি অন্যতম স্থান দখল করে আছে। জিমেইলের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ইমেইলের দ্বারা যে সমস্ত গিগাবাইট সঞ্চয় হয় সেগুলোর ধারণ করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

  • (১) ইমেইল ওই সমস্ত মেইল কে বোঝায় যেগুলো ইলেকট্রনিক ভিত্তিক (২) জিমেইল ওই সমস্ত মেইলকে বোঝায় যেগুলো গুগল ভিত্তিক।
  • (১) ইমেইল হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভিত্তিক এমন একটি বার্তা আদান প্রদানের প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি ছবি, এবং ডকুমেন্টস ইত্যাদি আদান প্রদান করতে পারবেন। (২) জিমেইল হচ্ছে ইমেইল আদান প্রদান করার মাধ্যমের মধ্যে অন্যতম একটি মাধ্যম। অর্থাৎ আপনি যে সমস্ত ছবি কিংবা ডকুমেন্ট স ইমেইল করবেন তার একটি মাধ্যম হচ্ছে gmail।
  • (১) ইন্টারনেট যেমন যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ঠিক তেমনি ইমেইল যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। (২) জিমেইল অনেকগুলো ফিউচার প্রোভাইড করে থাকে যেমনঃ ইমেইল রিমাইন্ডারস, ভাইরাস সুরক্ষা, স্পাম ফিল্টারিং ইত্যাদি।
  • (১) ইমেইল এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে তথ্য কিংবা ইনফরমেশন এক্সচেঞ্জ করা হয় (২) জিমেইল অন্যান্য ইমেইল সিস্টেম এর মধ্যে একটি যেটা কিনা ওয়েব এবং পুপ ভিত্তিক ইন্টারনেটের মত দেখা যায়।
  • (১) ইমেইল এর মধ্যে tap-able লিংক সাপোর্ট করে কিংবা শো করে (২) জিমেইল এটি tap-able লিংক সাপোর্ট করে না।

নিউ জিমেইল একাউন্ট (Gmail account) কিভাবে খুলব।

আপনি কিভাবে একটি জিমেইল এর মাধ্যমে আপনার নিজের নামে কিংবা আপনার কোম্পানির নামে একটি ইমেইল একাউন্ট তৈরি করবেন এটা বিস্তারিত ভাবে আমি আপনাদেরকে নিচে বলব। তবে এর আগে আমাদেরকে অবশ্যই একটা জিনিস জানা দরকার সেটা হচ্ছে ইমেইল একাউন্ট তৈরি করতে কি কি লাগে।

তাই আপনি যদি ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করতে চান এবং ক্রিয়েট করতে কি কি লাগে এসব বিষয় জানতে চান তাহলে নিচে থেকে জেনে নিন।

নিউ জিমেইল অ্যাকাউন্ট করতে যা যা প্রয়োজনঃ-

  • একটি স্মার্ট ফোন/ল্যাপটপ/কম্পিউটার অথবা এমন একটি ডিভাইস যেটাতে ইমেইল+ইন্টারনেট কানেকশন সাপোর্ট করে।
  • এমন একটি মোবাইল ফোন নাম্বার যেটা কিনা সচল অর্থাৎ সেটাতে একটা এসএমএস পাঠালে আপনি পাবেন।
  • এমন একটি কোম্পানির নাম কিংবা ইমেইল নেম (আপনার নামও হতে পারে) লাগবে যেটা কিনা আপনার পছন্দ এবং মনে রাখতে সহজ।
  • অবশ্যই যেহেতু এগুলো অনলাইনের মাধ্যমে করতে হবে তাই অবশ্যই আপনার স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপ ইত্যাদির মধ্যে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।

এখানে আমি উপরে কি কি লাগবে এই বিষয়ে কয়েকটা জিনিস শেয়ার করেছি সেখানে অবশ্যই আমি বলেছি আপনার একটা মোবাইল নাম্বার লাগবে যেটা কিনা সচল। তবে এটা ছাড়া ও আপনি একটা ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করতে পারবেন।

অর্থাৎ আপনি চাইলেই একটি মোবাইল নাম্বার ছাড়া ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করতে পারবেন তবে এটা আপনার জন্য রিস্ক। কেননা আপনি আপনার ইমেইলের মধ্যে যে পাসওয়ার্ডটা দিবেন সেটা যদি কোন সময় বলে যান তাহলে সেটা মোবাইল নাম্বার দিয়ে আবার রিকভার করতে পারবেন।

তাছাড়া আপনার ইমেলটা যদি কোন কারণে hacking এর সমস্যা হয় তাহলে সেখান থেকেও কিছুটা রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমি বলব অবশ্যই আপনি ক্রিয়েট করার সময় এমন একটি মোবাইল নাম্বার দিবেন যেটা কিনা আপনার কাছে সব সময় আছে কিংবা থাকবে।

আরো পড়ুনঃ

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো | how to open a Gmail ID

কোন একটা কিছু করার ক্ষেত্রে যদি আমাদের সঠিক গাইডলাইন থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা সেটা ভালোভাবে করতে পারব এবং শিখতে পারবে।

তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে জিমেইল আইডি কিভাবে করব এই প্রশ্নের উত্তরটা এমনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব আশা করি আপনাকে এই ওয়েবসাইটের পরে অন্য কোন ওয়েবসাইট ঘুরতে হবে না।

সুতরাং আপনি যদি একটা আপনার জন্য নতুন জিমেইল আইডি খুলতে চান তাহলে আপনি নিচে দেওয়ার সমস্ত স্টেপ গুলো ভালোভাবে ফলো করুন এবং সেই অনুযায়ী আপনার একাউন্টটা ক্রিয়েট করার চেষ্টা করুন।

স্টেপঃ ১ gmail ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

সর্বপ্রথম আপনি যদি একটা জিমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করতে চান তাহলে তাদের যে gmail.com নামে ওয়েবসাইট রয়েছে সেটাতে প্রবেশ করতে হবে। সুতরাং সেখানে প্রবেশ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন কিংবা গুগলে গিয়ে সার্চ করুন gmail.com লিখে। সার্চ করার পরে আপনার সামনে সেই নামে যে ওয়েবসাইট আসবে সেখানে প্রবেশ করুন।

স্টেপঃ ২ create account বাটনে ক্লিক করুন

প্রথম স্টেপে দেখানো অনুযায়ী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পরে আপনার সামনে একটা বক্স চলে আসবে সেখানে Gmail or phone এরকম লেখা থাকবে। আপনি যেহেতু নতুন একটা ক্রিয়েট করতে চান তাই আপনাকে এখানে কিছু করার দরকার নেই। এবং সর্বশেষ নিচে একটা বাটন দেখতে পাবেন ক্রিয়েট একাউন্ট (create account) নামে সেখানে ক্লিক করুন।

স্টেপঃ ৩ ফরমটা ফিলাপ করুন

এখন আপনার সামনে একটা ফরম আসবে যেখানে মূলত অনেকগুলো তথ্য চাওয়া হবে সেগুলো আপনাকে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ এখানে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু ডিটেলস সাবমিট করতে হবে।  অর্থাৎ মূলত এখানে তিনটি জিনিস দেওয়া হবে (১) আপনার ফার্স্ট নেম এবং লাস্ট নেম (২) আপনার কোম্পানি/নাম অথবা পছন্দ অনুযায়ী একটা নতুন ইমেইল দিতে হবে (৩) সর্বশেষ আপনাকে একটা গোপনীয় স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিতে হবে।

তৃতীয় নম্বর স্টেপ টা আরো ভালোভাবে বোঝার জন্য নিচে দেওয়া স্টেপ গুলো ফলো করুন।আবারো বলছি দ্বিতীয় স্টেপসটি পূরণ করার পরে আপনার সামনে একটা ফরম চলে আসবে যেখানে আপনাকে তিনটি বক্স দেখানো হবে।

  • প্রথম বক্স:- first name _ last name এই বক্সের মধ্যে আপনি ফার্স্ট নেইমের জায়গায় আপনার নামের প্রথম অংশ দিয়ে দিন এবং লাস্ট নেম এর জায়গায় আপনাকে আপনার নামের শেষের অংশ দিতে হবে।
  • দ্বিতীয় বক্স:- username এই বক্সের মধ্যে আপনাকে ইউজার নেম দিতে হবে এখানে ইউজার নেম বলতে আপনার gmail account address। অর্থাৎ এখানে আপনি যে নামটা দিবেন সেটা আপনার জিমেইল এড্রেস নামে পরিচিত লাভ করবে। অর্থাৎ এখানে আপনি আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী একটা নাম দিতে পারবেন। তবে আপনাকে এটা অবশ্যই পরবর্তী মনে রাখতে হবে কেননা যখন আপনি কাউকে ইমেল এর মাধ্যমে কোন একটা কিছু সেন্ড করবেন তাহলে এই ইমেইলের মাধ্যমে সেন্ড করা হবে। তাই অবশ্যই যে নামটা দিবেন সেটা মনে রাখার চেষ্টা করবেন ভবিষ্যতে লগইন করার সময় প্রয়োজন পড়বে।
  • তৃতীয় বক্স:- এই বক্সের মধ্যে দুটো জায়গা দেখতে হবে password এবং confirm password এই দুই জায়গার মধ্যেই আপনাকে পাসওয়ার্ড বসাতে হবে। অর্থাৎ আপনি প্রথম যে জায়গার মধ্যে পাসওয়ার্ড বসাবেন সেটা কনফার্ম করার জন্য আবার দ্বিতীয় নম্বর যে জায়গাটা আছে সেখানে বসাতে হবে। অবশ্যই এই পাসওয়ার্ডটা আপনাকে মনে রাখতে হবে। কেননা এর আগের বক্সে দেওয়া ইমেইল আইডি এবং এই পাসওয়ার্ড দ্বারা আপনার ইমেইল একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে।

উপরের সমস্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার পরে এখন আপনাকে নিচে দেওয়া ডান পাশের ‌next নামে যে বাটনটা রয়েছে সেখানে ক্লিক করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ

স্টেপঃ ৪ আপনার ডিটেলস সাবমিট করুন

তৃতীয় স্টেপটি কমপ্লিট করে next বাটনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে আরেকটা নতুন ফেজ ওপেন হবে যেখানে আপনার কিছু ডিটেলস সাবমিট করতে হবে। মূলত এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার জন্ম তারিখ এবং আপনার লিংগ (male/female) ইত্যাদি বসাতে হবে।

  • প্রথম বক্স:- এই বক্সের মধ্যে আপনার একটা সচল মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। অর্থাৎ আপনার কাছে একটা টাকা মোবাইল নাম্বার দিন যেটা কিনা বর্তমান আপনার কাছেই রয়েছে। আমি আর্টিকেলের শুরুর দিকে বলেছিলাম যদি আপনি মোবাইল নাম্বার ছাড়া জিমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করেন তাহলে সে ক্ষেত্রে একটা রিস্ক এর ব্যাপার আছে। অর্থাৎ কোন কারনে যদি আপনার পাসওয়ার্ড ভুলে যান তাহলে মোবাইল নাম্বার দিয়ে আর আপনার পাসওয়ার্ডটা রিকভার করতে পারবেন না। তাই অবশ্যই মোবাইল নাম্বার দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
  • দ্বিতীয় বক্স:- recovery email address মূলত এ বক্সের মধ্যে আপনাকে একটা ইমেইল এড্রেস দিতে হবে যদি আপনার কাছে থাকে (না দিলেও চলবে)। অর্থাৎ আপনার কাছে যদি অন্য কোন ইমেইল এড্রেস আগেই থেকে সেটা এবক্সের মধ্যে বসিয়ে দিন। এই বক্সের মধ্যে অন্য ইমেইল একাউন্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার অনেক উপকার হয়েছে যেমন আপনি পরবর্তীতে আপনার ইমেইল একাউন্ট টা রিকভার করতে পারবেন। যদি না থাকে তাহলে দেওয়ার দরকার নেই খালি রেখে দিন।
  • তৃতীয় বক্স:-‌ your birthday এই বক্সের মধ্যে আপনার জন্ম তারিখ কে দিতে হবে। অবশ্যই সেখানে তারিখগুলো দিয়ে থাকবে শুধুমাত্র আপনি সেখান থেকে আপনার জন্ম তারিখটা সিলেক্ট করে নিন।
  • চতুর্থ বক্স:- gender (লিঙ্ক) অর্থাৎ এই বক্সের মধ্যে আপনি কি পুরুষ নাকি মহিলা এ বিষয়টা তুলে ধরতে হবে। সুতরাং আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে male সিলেক্ট করুন আর যদি মহিলা হয়ে থাকেন তাহলে female সিলেক্ট করুন।

এই স্টেপের সমস্ত কাজগুলো পরিপূর্ণ করার পরে আপনাকে সর্বশেষ নিচে ডান পাশে যে next বাটনটা রয়েছে সেখানে ক্লিক করতে হবে।

স্টেপঃ ৫ মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করুন

চতুর্থ স্টেপের মধ্যে আপনি যে মোবাইল নাম্বারটা দিয়েছিলেন এখন আপনাকে সেটা ভেরিফাই করতে হবে। অর্থাৎ তারা যাচাই করবে যে আপনি যে এখানে মোবাইল নাম্বারটা দিয়েছেন সেটার মালিক আপনি কিনা? সুতরাং এখান থেকে সেটা ভেরিফাই করার জন্য নিচের প্রসেস গুলো দেখুন।

Next বাটনে ক্লিক করার পর আপনি যে নাম্বারটা দিয়েছেন সেটা অটোমেটিক্যালি ভাবে শো করবে। এবং নিচে আপনি একটা‌ send নামে বাটন দেখতে পাবেন ‌ সেখানে ক্লিক করুন। অর্থাৎ আপনি এখানে ক্লিক করার পর আপনাকে একটা এসএমএস পাঠানো হবে।

স্টেপঃ ৬ ভেরিফিকেশন কোডটি বসিয়ে দিন

আপনি যখন send বাটনে ক্লিক করবেন তখন আপনার সামনে আরেকটা নতুন ফেজ শো করবে এবং আপনার দেওয়া নম্বরে একটি otp কোড যাবে। সেই ওটিপি কোড টা আপনাকে এই স্টেপের মধ্যে বসিয়ে দিতে হবে কারিগরের মধ্যে।

স্টেপঃ ৭ Google terms & condition একসেপ্ট করুন

উপরের স্টেপটা অর্থাৎ আপনার নাম্বারটা ভেরিফাই করার পরে এখন আপনাকে গুগলের terms & condition যেটা আছে সেটা agree করতে হবে। সুতরাং এই পেজটা ভালোভাবে পড়ার পরে নিচে স্ক্রল ডাউন করুন এবং নিচে যাওয়ার পরে একটা বাটন দেখতে পাবেন I agree নামে সেখানে ক্লিক করুন এবং পরবর্তী পেজে চলে যান।

স্টেপঃ ৮ get more from your number স্কিপ করুন।

গুগলের যে সমস্ত terms & condition এগুলো এক্সেপ্ট করার পরে আপনাকে পরবর্তীতে আরেকটা পেজে নিয়ে যাবে যেটার নাম হচ্ছে get more from your number । এই পেজটা আপনি স্ক্রিপ করে অন্য পেজে চলে যাবেন। কেননা এখানে আপনার দেওয়া নম্বর দ্বারা গুগলের অন্য কোন সেবা গ্রহণ করবেন কিনা সেটা বলা হচ্ছে যেমন ভিডিও কল ইত্যাদি। সুতরাং আপনি যেহেতু শুধুমাত্র ইমেইল একাউন্ট ক্রিয়েট করতে চান তাই এটা স্কিপ করে চলে যান। অর্থাৎ আপনাকে skip বাটনে ক্লিক করতে হবে।

সুতরাং আপনি যদি ওপরে যাওয়ার সমস্ত স্টেপ গুলো ভালোভাবে ফলো করেন এবং সে অনুযায়ী আপনার একটা ইমেইল একাউন্ট খোলার চেষ্টা করেন তাহলে আশা করি আপনি একটা একাউন্ট খুলতে পারবেন।

অর্থাৎ উপরে দেওয়া সমস্ত স্টেপস ফলো করে একাউন্ট খোলার পরে আপনি আপনার বন্ধু বান্ধব কিংবা আত্মীয়-স্বজনের কাছে অর্থাৎ অন্য কোন ইমেইলে আপনার ডকুমেন্ট,ছবি,ভিডিও ইত্যাদি পাঠাতে পারবেন। এবং অন্যরাও চাইলে আপনার ইমেল এর মধ্যে তাদের ডকুমেন্টস ইত্যাদি পাঠাতে পারবে।

আরো পড়ুনঃ

বিঃদ্রঃ অবশ্যই এ ক্ষেত্রে একটা বিষয় মনে রাখবেন অর্থাৎ আপনি একাউন্ট ক্রিয়েট করার সময় username বা gmail address যেটা দিয়েছেন সেটা এবং আপনার দেওয়া গোপনীয় পাসওয়ার্ড টা মনে রাখবেন। কেননা আপনি যদি মনে রাখেন তাহলে যে কোন স্মার্ট ফোন/কম্পিউটার/ল্যাপটপ ইত্যাদি থেকে আপনি আপনার ইমেইলটা লগইন করে মেইল পাঠাতে পারবেন এবং পড়তে পারবেন।

জিমেইল আইডি কিভাবে খুলবো ভিডিও

আমাদের মধ্যে আবার অনেকেই আছেন যারা কিনা লেখা পড়ে বিস্তারিতভাবে বুঝতে পারেন না। এ পর্যন্ত আমি আপনাদের সাথে একটি জিমেইল আইডি কিভাবে খুলতে হয় এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

সুতরাং এমন অনেক লোক আছে যারা কিনা লেখা পড়ে সবকিছু বুঝতে পারে না যার কারণে তাদেরকে ভিডিও সহ বোঝাতে হয়। এখন আমি সেইসব লোকদের উদ্দেশ্যে করে আপনাদের নিচে একটা ভিডিও দিয়ে দেবো সেখান থেকে ভিডিও আকার দেখে নিতে পারবেন কিভাবে একটি জিমেইল একাউন্ট খুলতে হয়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url