বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন | বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন 2024

দিন যত যাচ্ছে তত আমাদের পৃথিবীতে ডিজিটালেটি বৃদ্ধি হচ্ছে বাদ পড়েনি আমাদের বাংলাদেশও। আপনি ইচ্ছে করলেই খুব সহজেই ঘরে বসেই অনলাইনে অনেক কিছু করতে পারবেন। কেননা অনলাইন হচ্ছে ডিজিটাল ক্ষেত্রে অন্যতম বলা চলে যদি অনলাইন না থাকতো তাহলে হয়তো ডিজিটাল শব্দটা ব্যবহার করা আমাদের পৃথিবীর জন্য মুশকিল হয়ে যেত। যার কারণে অর্থাৎ এই ইন্টারনেটের কারনে আজকাল মানুষের দুর্ভোগের পরিমাণ বলতে গেলে অনেকাংশেই কমে গেছে। তাই আজকের এই আর্টিকেলটি মূলত ওই সমস্ত মানুষদের কে কিংবা পাঠকদের উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে যারা কিনা বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কিংবা আবার যেটাকে অনেকেই বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন 2022 বলে সম্মোধন করে তাকে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক মূল বিষয়ে।

আজকের এই আর্টিকেলটি যদি আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলেই জানতে পারবেন বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন 2021, বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন 2022, বয়স্ক ভাতা কার্ড চেক, বয়স্ক ভাতা আবেদন ফরম pdf , বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি সহ আরো নানা বিষয় সম্পর্কে।

বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন

আরো পড়ুনঃ

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কিনা বল ভাবে লেখাটা পড়ে বুঝতে পারেনা বা আমাদের এই লেখার মধ্যেও অনেক ভুল থাকতে পারে। তাই প্রিয় পাঠক বন্ধুরা তোমাদের মধ্যে কেউ যদি এই আর্টিকেল পড়ে কোন একটা বিষয় না বুঝেন তাহলে নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করার আবেদন রইল। অর্থাৎ আপনারা আপনাদের অজানা বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য নিচের কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন করতে পারেন। যদি আমি আপনাদের দেওয়া প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি তাহলে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

বয়স্ক ভাতা কি

বয়স্ক ভাতা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে এমন এক কর্মচারী যার মাধ্যমে গরিব-দুঃখী,মেহনতী, কর্মহীন, বয়স্ক এবং স্বল্প আয়ের করে লোকদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে।

বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কত টাকা | বয়স্ক ভাতা কত টাকা ২০২২

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কিনা বাংলাদেশের মধ্যে বয়স্ক ভাতার কত সেটা জানতে চাই। তাই এই প্রশ্নের উত্তর যদি এখন আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করি তাহলে বলা চলে আসলে মূলত বয়স্ক ভাতা দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে এবং পরিবর্তন হচ্ছে। যদি বিশেষ করে আপনি জানতে চান তাহলে আমি বলতে পারি 2022 সালের মার্চ মাসে এর পরিমাণ ছিল প্রতিমাসে 500 টাকা করে।

বয়স্ক ভাতা কত বছর বয়সে দেওয়া হয়

আপনি যদি বয়স্ক ভাতা পেতে চান অবশ্যই আপনাকে সেই বয়স অনুযায়ী পৌঁছাতে হবে যে বয়সে আপনি বয়স্ক ভাতা পেতে পারেন। তাই আবার গুগোল কিংবা ইউটিউবে অনেকেই চার্জ করে থাকেন বয়স্ক ভাতা কত বছর বয়সে দেওয়া হয় এই বিষয়টি নিয়ে। তো আপনিও যদি এ বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এখনি জেনে নিন। এখন যদি বয়স্ক ভাতা পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার বয়স 65 কিংবা এর উপর হতে হবে। আর আপনি যদি মহিলা হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার বয়স 62 কিংবা এর উপর হতে হবে।

See also  কিভাবে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা যায় । জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম ২০২৪

বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন |‌ বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন 2022

আপনি ইচ্ছে করলেই খুব সহজেই বয়স্ক ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। তবে অনলাইন তো শুধুমাত্র আমরাই জানি কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বয়স্কভাতার জন্য। কিংবা বয়স্ক ভাতার রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে। তাই আপনি যদি এসব বিষয় জানার আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েন। কেননা এসব বিষয়ে আমি বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে অনেক সময় অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে ডিস্টার্ব তাকে। বলতো এটা কে ডিস্টার্ব করা যাবে না কেননা এখানে সার্ভার আপডেট করার জন্য বিভিন্ন সময় অনলাইন আবেদন বন্ধ রাখা হয়। অর্থাৎ সেইসময় সিস্টেম আপডেটের কাজ চলতেছে। যার কারণে অনেক সময় দেখা যায় সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। অর্থাৎ এই সময়ে আপনি অনলাইনে মাধ্যমে বয়স্ক ভাতার জন্য রেজিস্ট্রেশন কিংবা আবেদন করতে পারবেন না। তবে জেনে রাখা ভালো যে যখন আপডেটের কাজ সমাপ্ত হয়ে যাবে তখন অবশ্যই অনলাইন আবেদন কার্যক্রম আবার শুরু হবে। তাই আপনি আগে থেকেই জেনে নিন কিভাবে কি করতে হয় অনলাইনে আবেদন করার জন্য।

আরো পড়ুনঃ এসএসসি 2022 শর্ট সিলেবাস মানবিক | ssc 2022 short syllabus manobik

বিশেষ দ্রব্যষ্টঃ এখানে যে সমস্ত খালিঘর গুলোর মধ্যে স্টার (*) চিহ্ন দেখতে পাবেন সেই কল গুলো আপনাকে অবশ্যই পুরন করতে হবে। অর্থাৎ সেগুলোর মধ্যে যে সমস্ত তথ্য আপনাকে সাবমিট করতে বলেছে সেগুলো অবশ্যই ফিলাপ করতে হবে।

বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য নিচের ধাপ গুলো ভালো ভাবে অনুসরণ করুন।

ধাপঃ ১– সর্বপ্রথম আপনার মোবাইল ফোন কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ থেকে ব্রাউজার ওপেন করতে হবে ব্রাউজার ওপেন করার পর টাইপ করুন http://mis.bhata.gov.bd/onlineApplication অথবা আপনি সরাসরি উপরে দেওয়া লিংকে উপর ক্লিক করতে পারেন। উপরে দেওয়া লিংকে ক্লিক করার সাথে সাথে আপনাকে একটা ওয়েবসাইট কিংবা একটা পেজে নিয়ে যাবে। যেখানে আপনি নির্বাচন করুন নামে একটা অপশন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন। নির্বাচন করুন অপশনে ক্লিক করার পর বয়স্ক ভাতা সিলেক্ট করুন। এবং “সংরক্ষণ” বাটনে চাপ দিন।

See also  অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম 2024।ট্রেনের টিকেট কাটার সময়।ট্রেনের টিকেট ফেরত দেয়ার নিয়ম

ধাপঃ ২- সংরক্ষণ বাটনে চাপ দেওয়ার পর আপনাকে আরেকটা নতুন পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে দুইটি বক্স দেখতে পাবেন একটা হচ্ছে এনআইডি নাম্বার দেওয়ার অপশন আরেকটা হচ্ছে জন্মতারিখ দেওয়ার অপশন। তো আপনি যার বয়স্ক ভাতার জন্য আবেদন করবেন তার এনআইডি নাম্বার প্রথম বক্সে দিবেন। এবং তার জন্ম তারিখটি দ্বিতীয় বক্সে হুবহু এনআইডি কার্ডের যেমন আছে তেমনি দিবেন। তারপর “যাচাই করুন” এই অপশনে ক্লিক করুন। 

ধাপঃ ৩– আপনার এনআইডি কার্ড সাবমিট করে যাচাই করুন অপশনে ক্লিক করার সাথে সাথে অন্য একটি পেজ-এ নিয়ে যাওয়া হবে। সেই পেজের মধ্যে অনেকগুলো তথ্য সাবমিট করতে হবে তবে যেহেতু আপনি এর আগে এনআইডি কার্ড সাবমিট করে ফেলেছেন সেজন্য অনেকগুলো খালিঘর অটোমেটিক ভাবে পূরণ হয়ে যাবে। তো যে সমস্ত খালিঘর পূরণ হয়নি সেগুলো আপনাকে ম্যানুয়ালি ভাবে পূরণ করতে হবে।

ধাপঃ ৪– এই দেশের মধ্যে আপনাকে বয়স্ক ভাতার আবেদন কারি ব্যাক্তির সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সাবমিট করতে হবে যেমনঃ তার বৈবাহিক অবস্থা কেমন, মাসিক আয় কত, ছেলে কয়জন মেয়ে কয়জন পরিবারের সদস্য কয়জন ইত্যাদি। অবশ্যই তথ্য গুলো সঠিকভাবে পূরণ করবেন।

ধাপঃ ৫– এই দেশের মধ্যে আপনাকে আপনার জন্য অর্থাৎ যার বয়স্ক ভাতার আবেদন করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য যোগাযোগের মাধ্যম ফিলাপ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার মোবাইল নাম্বার (মোবাইল নাম্বার কার সেটি ঠিক করুন), আপনার ঠিকানা, আপনার ইমেইল (যদি থাকে), এবং যাবতীয় তথ্য সিলেক্ট করুন কিংবা পূরণ করুন।

ধাপঃ ৬– এই দেশের মধ্যে আপনাকে আপনার দেওয়া সমস্ত তথ্য ঠিক আছে কিনা সেগুলো ভালোভাবে চেক করে নিতে হবে। কেননা আপনি যদি সবগুলো তথ্য একবার সাবমিট করে ফেলেন তাহলে আর কোনভাবে সেগুলো বদলানোর সুযোগ থাকবে না। তাই অবশ্যই ভালোভাবে দেখে নিবেন আপনার দেওয়ার সময় তত্ত্ব ঠিকঠাক আছে কিনা। যদি সবগুলি থাকে তাহলে সব শেষে “সংরক্ষণ” বাটনে চাপ দিন। “সংরক্ষণ” বাটনে চাপ দেওয়ার সাথে সাথে আপনার আবেদনটি সাবমিট হয়ে যাবে।

ধাপঃ ৭- এই দেশের মধ্যে আপনার আবেদনকৃত ফরমটি প্রিন্ট করতে হবে অর্থাৎ “সংরক্ষণ” বাটনে চাপ দেওয়ার পরে আপনি যে বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কিংবা আবেদন করেছেন সেটার ডকুমেন্টস স্বরুপ আপনাকে একটা চরম কিংবা কাগজ দেওয়া হবে যেটা কিনা আপনাকে প্রিন্ট করতে হবে। যদি আপনার কাছে প্রিন্টার না থাকে তাহলে আপনি সেটা ডাউনলোড করে কোন একটা প্রিন্টের দোকান থেকে আপনার ডাউনলোডকৃত ফাইলটি প্রিন্ট করে নিন।

ধাপঃ ৮- এই ধাপের মধ্যে আপনাকে আপনার প্রিন্ট করা যে ফাইলটি কিংবা ফরমটি রয়েছে সেটিতে আপনার এলাকার কিংবা ওয়ার্ডের এবং ইউনিয়নের মেম্বার চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নিতে হবে। অর্থাৎ আপনি যেখানে আছেন সে ওয়ার্ডের মেম্বার এবং যে ইউনিয়নে আছেন সে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর স্বাক্ষর নিতে হবে। এবং সর্বশেষ আপনার কাঙ্খিত ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পৌরসভাতে সেই ফরমটি জমা দিতে হবে।

See also  পাসপোর্ট দিয়ে কি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায় | জন্ম নিবন্ধন দিয়ে কি বিকাশ একাউন্ট খোলা যায়

এবং সর্বশেষ আপনার আবেদনকৃত ফর্মটি এবং আপনার সাবমিটকৃত সমস্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করার পর আপনার আবেদনটি গ্রহণ করা হবে। এবং সব গুলো ঠিকঠাক থাকলে আপনার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হবে আশা করি।

বয়স্ক ভাতা মোবাইল ব্যাংকিং

আমাদের বাংলাদেশের মধ্যে দুই শুক্রবার রাজধানীর দেওয়ার জন্য সবচেয়ে ব্যবহারযোগ্য উপায় হলো মোবাইল ব্যাংকিং। যার কারণে আমাদের দেশের মধ্যে অনেক দুর্নীতিবাজ এবং দুকাবাজি ইত্যাদি প্রচারণা শুরু করে সবকিছুই কমে গেছে বলে আমি মনে করি। যদিও বা অন্যান্য ক্ষেত্রে ধোঁকাবাজি হয়ে থাকে কিন্তু বয়স্ক ভাতা থেকে শুরু করে আরো বিভিন্ন ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার কারণে আর ভাতা পেতে কোন প্রকার সমস্যা কিংবা ধোঁকাবাজির সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।

আপনার আবেদনকৃত অর্থাৎ বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কিংবা বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন যদি করেছেন এটি যাচাই-বাছাই করার পর সেই টাকাগুলো আপনি গ্রহণ করার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় সরকার নগদ এর মাধ্যমে বেশিরভাগ ভাতা প্রদান করে থাকে। তবে তাছাড়া আমাদের বাংলাদেশের মধ্যে অনেকগুলো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রয়েছে যেমনঃ রকেট, নগদ, বিকাশ, উপায় ইত্যাদি। এই সবগুলো মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা কিংবা অন্যান্য ভাতা নেওয়া যায় কিনা সে সম্পর্কে তেমন আমি জানিনা। তাই আপনি সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন।

তার জন্য আপনি যদি নিজেই বয়স্ক ভাতা গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে আপনার নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে একটা মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলে নিবেন। যদি আপনি অন্য কারোর হয়ে আবেদন করেন সেক্ষেত্রে ও যার জন্য আবেদন করতেছেন তার এনআইডি কার্ড দিয়ে এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জিজ্ঞেস করার পর কোন মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলবো সেটা খুলে দিবেন। এটা অন্য কিছু নয় সাধারণ মোবাইল ব্যাংকিং এর মতই একটা মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট।

যদি কোন ব্যক্তির আগে থেকেই তার এনআইডি কার্ড দিয়ে কোন একটা মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খোলা থাকে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আর কোন মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খোলার প্রয়োজন নেই। সেই মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে আপনার বয়স্ক ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।

এবং সর্বশেষ প্রতিমাসে নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট থাকা আপনার দেওয়া মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট এ দিয়ে দেওয়া হবে। আপনি আপনার পার্শ্ববর্তী কোন একটা মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট থেকে সেই টাকাটা উইথড্র করে নিতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ

উপসংহারঃ আজকের এই কষ্ট করে লেখা আর্টিকেলটিতে যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়স্বজনের কাছে শেয়ার করতে ভুলবেন না। কেননা আজকের আর্টিকেল এর মূল বিষয় হচ্ছে “বয়স্ক ভাতা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন” বয়স্ক ভাতা অনলাইন আবেদন 2022″ এই বিষয় সম্পর্কে অনেকেই জানেনা। তাই আপনার একটা শেয়ার এ কারণে অনেক অজানা ব্যক্তি জেনে যাবে।