ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয় | ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে রূপচর্চা

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয় | ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে রূপচর্চাঃ- আপনারা হয়তো অনেকেই শুনেছেন ভিটামিন ই ক্যাপসুল নামে পরিচিত একটি ওষুধের নাম। এটি হচ্ছে এমন এক ওষুধ যেটা কিনা সবুজ রঙের ছোট ছোট স্বচ্ছ ক্যাপসুল। আমরা অনেক সময় ডাক্তার কিংবা কোন গুরুজনের পরামর্শ ছাড়াই যে ওষুধগুলো রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে “ই ক্যাপসুল”।

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয়

ঠিক তেমনি যেমন আমরা প্যারাসিটামল খেয়ে থাকি বিভিন্ন জ্বর, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি দেখা দিলে। অথবা আমরা অনেক সময় দেখা যায় চাচা, চাচী, খালা, ফুফু ইত্যাদির কাছে জিজ্ঞেস করে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার জন্য যে ওষুধ টি জিজ্ঞেস করে আমরা খুঁজে পাই সেটা হচ্ছে ভিটামিন ই ক্যাপসুল।

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয় 

আপনি যদি মনে করেন হয়তো আমি যদি এই ঔষধটি দুই থেকে তিনদিন সেবন করি হয়তো আমি মসৃণ ত্বক হয়ে যাব এবং আমার মাথা ভর্তি চুল ভরে যাবে ঠিক এই ধারণাটা যদি আপনি করে থাকেন তাহলে এটা একদম ভুল। আমরা অনেক সময় কোন ডাক্তার কিংবা প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিভিন্ন ঔষধি খেয়ে থাকি বিশেষ করে ভিটামিন ক্যাপসুল গুলো এটা একদমই ভুল অনেক মারাত্মক একটা ব্যাপার।

 কেননা অনেক সময় দেখা যায় আপনি যদি এরকম কোন প্রকার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন একটা ভুল ওষুধ খেয়ে ফেলেন তাহলে আপনার শরীরে মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে যেমনঃ প্রেসার এর জটিলতা, অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া, হরমোনাল ইমব্যালেন্স সহ আরো নানা প্রকার জটিল রোগ।

তাই আপনি মনে করবেন না হয়তো আমি ভিটামিন সি ক্যাপসুল খাওয়ার মাধ্যমে অনেকগুলো ডাক্তারের কাছ থেকে বেঁচে গেছি যেমনঃ ডাক্তার দেখানোর খরচ, প্রেসক্রিপশন এর খরচ ইত্যাদি। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে খোঁজাখুঁজি করার পর জানলাম আপনি যদি আপনার চুল পড়া বন্ধ করার জন্য কোন প্রকার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ই ক্যাপসুল সেবন করেন। তাহলে আপনার চুল পড়া বন্ধ হলে তো ভালো যদি মারাত্মক রোগ দেখা দেয় তখন কি করবেন। অনেক আশপাশের লোকদেরকে দেখেছি তারা এমন করে ধোকা খেয়েছে আপনি ধোকা খেতে কতক্ষণ? তাই ভিটামিন ই ক্যাপসুল বলে কথা নয় প্রত্যেক ওষুধ সেবন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। তবে আপনি আজেবাজে ডাক্তার দেখার চেয়ে টাকা বেশি খরচ হলেও ভালো একটা ডাক্তার দেখাতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ

See also  ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি | ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কাকে বলে | ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সংঙ্গা

ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে রূপচর্চা।

আর্টিকেল এর আসল বিষয় শুরু করার আগে আমি আপনাদেরকে আগে থেকেই বলে ডাকছি অ্যানসার টা কিনে আমাদের সমাজে একটা বড় মারাত্মক অভ্যাস হয়ে গেছে। অর্থাৎ আমরা অনেকেই কোন প্রকার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধের নাম জানি বটেই বিভিন্ন প্রকার ওষুধ সেবন করে থাকি। আমাদের সমাজে এমন এক সময় চলে এসেছে যেন আমরা ডাক্তারের এত বছরের লেখাপড়া এবং অভিজ্ঞতার কোন মূল্যই নেই মূল্য থাকবে কোথায় যদি আমরা নিজেই এক এক জন এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে যায়।

আবার অনেকে আছেন যারা কিনা ডাক্তার দেখাতে ইচ্ছুক নয়। তো আপনি যদি কম যুক্তিপূর্ণভাবে ওষুধ সেবন করার মাধ্যমে অর্থাৎ ভিটামিন ই ক্যাপসুল সেবন করার মাধ্যমে নিজের ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে চান তাহলে আজকের এই পোস্টটি সম্পূর্ণরূপে পড়ুন। কেননা হয়তো আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ার কারণে আপনি ভিটামিন ই ক্যাপসুল সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন। তো এখন আমরা জানবো ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে রূপচর্চা কিভাবে করতে হয়।

চিন্তা দূর করার জন্য আমি আপনাদেরকে আরও একবার বলছিঃ- এখানে আমি মূলত কোন প্রকার কসমেটিকসের দোকানে পাওয়া ক্রিম কিংবা মুখ ফর্সা করার বিভিন্ন পাউডারের সম্পর্কে বলতেছি না। বরং আমি বলতেছি এমন এক ভিটামিন ই ক্যাপসুলের কথা যেটা কিনা ওষুধের দোকানে ফার্মেসিতে পাওয়া যায় যেটা কিনা সাধারণত খাওয়া হয়।

যেগুলো কিনা সবুজ রঙের হয় এবং অতিরিক্ত পাওয়ার রেগুলোতে রয়েছে সেগুলো হলুদ রঙের হয়। আর আপনি যদি ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে নিচে দেওয়া কাজগুলো করতে চান অর্থাৎ রূপচর্চা করতে চান। সে ক্ষেত্রে হলুদের প্রয়োজন হবেনা সবুজটাই যথে শনষ্ট।

আর আপনি যদি এই আর্টিকেলটি পড়ার আগেই প্রশ্ন করে বসেন যে, ভিটামিন ই ক্যাপসুল কিংবা যে কোন ক্যাপসুল কি মুখের মধ্যে দেওয়া যায়? এ প্রশ্নের উত্তর সাধারণত সবখানে যাওয়া যায় মুখে হোক, হাতে, চুলে সবখানেই ক্যাপসুল দেওয়া যায়। তাহলে এখন জেনে নেয়া যাক কিভাবে ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে রূপচর্চা করতে হয়।

ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করার নিয়ম।

আমি এখন আপনাদেরকে নিচে যে পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে বলব অর্থাৎ কিভাবে আপনি ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর মাধ্যমে নিজের রূপচর্চা করবেন। তো এই ভিটামিন এ ক্যাপসুল কিভাবে ব্যবহার করবেন এটা জেনে নেয়া যাক।

ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করার নিয়ম হচ্ছে আপনি নিচের দেওয়া পদ্ধতিগুলোর অবলম্বন করার সময় অবশ্যই ক্যাপসুল সামান্য করে ফুটো করবেন। ক্যাপসুলে সামান্য করে ফুটো করার পর সেখান থেকে অনেকগুলো জেল বাহির হবে প্রায় আধা চামচ বাহির হবে। তো আপনার ত্বকের অবস্থা অনুযায়ী আপনি সেখানে কমবেশি লাগাতে পারেন।

১/ ভিটামিন ই স্কিন সিরামঃ-

দি বডি শপ কোম্পানির একটা ভিটামিন-ই ফেসিয়াল সিয়াম রয়েছে। আমি আপনাদেরকে খুব ভালোভাবে বলতে পারি আপনি যদি এই ভিটামিন ই ক্যাপসুল কি আপনার ত্বকের জন্য ব্যবহার করেন তাহলে আশা করা যায় আপনি দি ববি শপ এর ভিটামিন ই ফেসিয়াল সিয়াম এর মতোই ফলাফল পাবেন।

See also  ১ বিটকয়েন সমান কত টাকা

যাদের ত্বক এবং নরমাল তারা ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর জেল বের করার পর ত্বকের মধ্যে লাগিয়ে হালকা হালকা মেসেজ করে দিলে অনেক উপকার হবে। আর যে সমস্ত লোক তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী তাদের জন্য ভিটামিন ই ক্যাপসুলের জেলটা অনেক ভারী হবে। তাই যে সমস্ত লোক তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারী তারা শুধুমাত্র এক ফোঁটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল নেওয়ার পর প্রথমে হাত দিয়ে ঘষে ফেলুন তারপর আপনার ত্বকের মধ্যে ধরে রাখুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার সিয়াম লাগানোর কাজ।

আপনি যদি এই পদ্ধতিতে আপনার ত্বকের সুরক্ষা রক্ষা করেন তাহলে আর কোন প্রকার নাইট ক্রিম ইত্যাদি বা কসমেটিকস দোকান থেকে কোনপ্রকার জেল ব্যবহার করতে হবে না। বিশেষ করে আপনি যদি বয়স্ক হন তাহলে আপনার জন্য অনেক উপকারী হবে এই পদ্ধতিটি। কেননা যারা বয়স্ক হয়ে গেছে তাদের ফাইন লাইন দূর করতে এটা অনেক সাহায্য করবে।

২/ ভিটামিন ই হেয়ার সিরামঃ-

আপনার যদি মাথা থেকে অতিরিক্ত চুল পড়ে যায় এবং আপনি যদি কালার চুলের অধিকারী হয়ে থাকেন হেয়ার রিবনডেট চুলের অধিকারী হয়ে থাকেন তাহলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী একটা ওষুধ। আপনি যদি উপকার পেতে চান সে ক্ষেত্রে দুই তিনটা ট্যাবলেট থেকে জেল বের করে আপনারা স্কেল এবং চুলের মধ্যে ভালভাবে লাগিয়ে দিন। এবং রাত্রে ঘুমানোর সময় এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে অনেক ভালো কেননা দীর্ঘ সময় ধরে চুলের মধ্যে রাখা যায়। অর্থাৎ আপনি রাত্রে ঘুমানোর সময় এইযেল গুলো ব্যবহার করবেন এবং সকালে উঠে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন।

আর আপনার যদি মনে হয় এই ট্রিটমেন্টটা আপনার অনেক বার হয়ে যাচ্ছে তাহলে অবশ্যই শুধুমাত্র একটা ক্যাপসুল এর জেল বাহির করে এর সাথে সামান্য করে নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার যদি মনে হয় উপরে দেওয়া পদ্ধতিটি ব্যবহার করার কারণে আপনি শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারতেছেন না সে ক্ষেত্রে নিচের পদ্ধতিটি ব্যবহার করবেন।

৩/ ভিটামিন ই নাইট ক্রিমঃ-

ওইটা আমি উপরে যে প্রথম পদ্ধতিটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন সেটা এইতো আপনার ব্যবহার করতে ভয় লাগবে। কেননা এখনো পর্যন্ত আমাদের দেশে উপরে দেওয়া পদ্ধতিটি জনপ্রিয় হয়নি। মূলত তাদের জন্যই এই টিপসটি উপস্থাপন করা হলো।

আপনারা যারা উপরের পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে ভয় পাচ্ছেন তারা নিজের পছন্দমত একটি নাইট ক্রিম নিয়ে নিন ‌ বা আপনি ইচ্ছে করলে হালকা বেবি ক্রিম নিতে পারেন। এখন সেই বেবি ক্রিম কিংবা নাইট ক্রিম এর সাথে একটি ক্যাপসুল এর জেল মিশিয়ে নিন। আপনি যদি এই পদ্ধতিটি নিয়মিত ব্যবহার করেন তাহলে আপনি এক্সট্রা ভিটামিনের অধিকারী হবেন। আপনি ইচ্ছে করলে আপনার বডি লোশন এই পদ্ধতিটি ইউজ করতে পারেন কোন প্রকার সমস্যা হবে না আশা করি।

See also  আমার লোকেশন কোথায় | হ্যালো গুগল আমি এখন কোথায় আছি | গুগল ম্যাপে মোবাইল লোকেশন বের

৪/ কনুই আর হাঁটুর জেদি কালো দাগ দূর করার জন্যঃ-

আপনি যদি আপনার দীর্ঘদিন ধরে পুরনো স্কিন ডেমেজ এর ডাক দূর করতে চান তাহলে অবশ্যই ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করতে পারবেন। কেননা এই ডাকটি দূর করার জন্য আমি ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর চেয়ে আর কোন বিকল্প খুঁজে পাচ্ছিনা বা জানিনা। এর জন্য আপনি যদি অর্থাৎ আপনার হাঁটুর দাগ দূর করতে চান সে ক্ষেত্রে জেল বানাতে পারেন কিংবা মুখে দেওয়া জেলের অতিরিক্ত যদি বেঁচে যায় তাহলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। আশা করে যাই দুই এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

৫/ চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার জন্য।

আপনার চোখের নিচে যদি কালো দাগ পড়ে থাকে এবং এটা যদি আপনি দূর করতে চান তাহলে নিচের এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে পারেন। আবার অনেকে আছেন যারা কিনা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার জন্য একদম খাঁটি বাদাম তেল ব্যবহার করে থাকেন আপনারা যদি তার সাথে সামান্য ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ব্যবহার করেন তাহলে খুব ভালো একটা ফলাফল পাওয়া যাবে আশা করি।

তবে যারা কাঠ বাদাম তেলও ব্যবহার করেন না তারাও নিজের চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে চাইলে বাদাম তেলের সঙ্গে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারে। আশা করা যায় খুব দ্রুত আপনার কালো দাগ চলে যাবে।

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয়

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয়ঃ- আমরা অনেকেই গুগোল কিংবা ইউটিউবে গিয়ে চার্জ করে থাকি ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হওয়া যায় বা মোটা হয়। তো আপনিও যদি এ প্রশ্নের অধিকারী হয়ে থাকেন এবং এর উত্তর খুঁজে থাকেন তাহলে এখান থেকে খুব সহজেই জেনে নিতে পারেন। কেননা আমি আপনাদেরকে এ কোন ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয় এ প্রশ্নের উত্তর কি হবে সেটা জানাবো। এখানে আমি আপনাদের সাথে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি মোটা হয় এটার উত্তর একটা প্রশ্ন উত্তর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা ১ জন ব্যক্তির উত্তর শেয়ার করব।

সাধারণত এক ই ক্যাপসুল এটা মোটা হওয়ার জন্য খাওয়া হয় না কিংবা ব্যবহার করা হয় না। মূলত ভিটামিন ই ক্যাপসুল এটি ব্যবহার করা হয় কেউ যদি নিজের ত্বককে মসৃণ করতে চায়। অর্থাৎ ত্বককে মসৃণ করার জন্য সাধারণত ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর জেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ

তাছাড়া কেউ যদি নিজের মাথার চুল পড়া বন্ধ করতে চাই সে ক্ষেত্রে তারা এই ভিটামিন ই ক্যাপসুলের জেল ব্যবহার করে থাকে। তাই আপনি যদি এই ভিটামিন ই ক্যাপসুল এটি সেবন করেন তাহলে আপনি মোটা হতে পারবেন না। তাই আপনি যদি নিজের শরীরকে মোটা করতে চান এবং চিকন স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় থাকেন তাহলে আপনি ভালো ভালো ফল ফ্রুট কিংবা খাবার খেতে পারেন। কেননা না না ধরনের ফার্মেসিতে ভিটামিন পাওয়া যায় যেগুলোর দ্বারা সাময়িক সময়ের জন্য মোটা হওয়া সম্ভব কিন্তু এটা আপনার শরীর মারাত্মক ক্ষতি করবে।