Advertise

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম | ভোটার আইডি কার্ড পেতে কতদিন লাগে

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়মঃ আপনার বয়স 16 বছর কিংবা আপনি 16 বছর অতিক্রম করেছেন তাহলে যদি আপনি একটা নতুন আইডি কার্ড করাতে চান কিংবা নতুন ভোটার হতে চান তাহলে আপনি খুব সহজেই অনলাইন কিংবা ম্যানুয়ালি ভাবে এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

তাই আপনার বয়স যদি 16 বছর কিংবা তার ওপর হয়ে থাকে তাহলে আপনি এনআইডি কার্ড করার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন কিংবা আবেদন করতে পারবেন। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার হওয়ার জন্য কিংবা এনআইডি কার্ড করার জন্য আবেদন করতে হয়। শুধুমাত্র আপনার স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ এবং কম্পিউটার ইত্যাদির সাহায্যে শুধুমাত্র ঘরে বসে কিভাবে একটি এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হয় নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম কি এর সম্পর্কে বিস্তারিত। যেটাকে আমরা এনআইডি অনলাইন রেজিস্ট্রেশন (NID online registration) বলে থাকি। তাছাড়া আপনারা এন আই ডি কিংবা জাতীয় পরিচয় পত্র বিষয়ক অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন আজকের এই আর্টিকেলে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

আরো পড়ুনঃ

মাস্টার কার্ড করার উপায় | মাস্টার কার্ড করার নিয়ম

নগদ একাউন্ট বন্ধ করার পদ্ধতি

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম।বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড। বিকাশ সম্পর্কে বিস্তারিত

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি লাগবে

ভোটার হওয়ার জন্য জন্য যা যা প্রয়োজন

বর্তমান বাংলাদেশের চলমান প্রক্রিয়া এটি একটি আপডেট প্রক্রিয়া। তাই আপনি যেকোন সময় অনলাইনে এনআইডি কার্ড কিংবা ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এটাই আমাদের জন্য একটা সুসংবাদ যে আমরা যেকোন সময় অনলাইনে ঘরে বসেই এনআইডি কার্ড কিংবা ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারতেছি।

আপনি যদি একজন বাংলাদেশের সঠিক নাগরিক হয়ে থাকেন এবং আপনার বয়স 16 কিংবা তার ওপরে চলে গেছে তাহলে আপনি এখনো বসে আছেন কেন এনআইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে ঘরে বসে আপন করে ফেলুন খুব সহজেই। তার জন্য আপনাকে একটা অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে এবং সাবমিট করতে হবে একটি এনআইডি কার্ড করার ক্ষেত্রে।

আপনার সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র গুলো অর্থাৎ যেগুলো আপনি অনলাইনের মধ্যে আবেদন করার সময় সংগ্রহ করেছেন প্রিন্ট করার মাধ্যমে। সেগুলো সংগ্রহ করার পর আপনাকে আপনার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ইত্যাদিতে গিয়ে জমা দিতে হবে। আপনার জমাকৃত সমস্ত তথ্য বা ইনফরমেশন সবগুলো সঠিক আছে কিনা যাচাই বাছাই করার পর আপনাকে পরবর্তী আবার দেখা হবে আপনার ছবি এবং আঙ্গুলের ছাপ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নেওয়ার জন্য।

যা যা প্রয়োজন

  • বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
  • পূর্বে এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করা হয়নি এমন হতে হবে।
  • বয়স 10 বছরের কম হতে পারবে না।

নতুন আইডি কার্ড করতে কি কি লাগে | নতুন ভোটার হতে কি কি লাগে

আপনার এনআইডি কার্ডের জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কিংবা আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র প্রিন্ট করার মাধ্যমে সেগুলোর ফটো কপি সংগ্রহ করে আপনার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে কিংবা পৌরসভা ইত্যাদিতে জমা দিতে হবে।

  • অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা ফর্মের প্রিন্ট কপি
  • এসএসসি সার্টিফিকেট কিংবা সমমান সার্টিফিকেট (এটা আপনার বয়স প্রমাণ করার জন্য)
  • জন্ম সার্টিফিকেট
  • পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/টিন সার্টিফিকেট ইত্যাদি
  • বাবা-মা স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি অবশ্যই প্রয়োজন
  • ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি/ঘর ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ (ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য)
  • নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম | online NID registration

আপনি কি ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে বানাবো এ নিয়ে চিন্তায়? চিন্তার কোন কারণ নেই কেননা এটা একটা অত্যন্ত সহজ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই কিছু টেকনিক অবলম্বন করে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কিংবা আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করার জন্য আপনার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন দিয়ে আবেদন সাবমিট করার পর সেটা প্রিন্ট করে আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে কাগজপত্রগুলো জমা দিতে হবে।

আপনার জমাকৃত সমস্ত ইনফরমেশন টিকটক যদি থাকে তাহলে আপনাকে কিছুদিনের পর আপনার আঙ্গুলের ছাপ কিংবা চোখ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং আপনার ছবিটা দিন আমার জন্য আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে তালাশ করা হবে। এবং আপনাকে সর্বশেষ একটি ভোটার নিবন্ধন এর স্লিপ প্রদান করা হবে। এরপর পরে 10-15 দিনের মধ্যে আপনার আবেদন গ্রহণ করার ফলে তারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজটা করে দেওয়ার চেষ্টা করবে এর থেকে বেশি টাইমও লাগতে পারে। এনআইডি কার্ড করার জন্য ঠিক কতদিন লাগবে এটা বলা দুষ্কর। তবে বলা চলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি আপনার এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে। অর্থাৎ আপনাকে এই যে স্লিপ দেওয়া হয়েছিল সেটার মাধ্যমে খুব সহজেই অনলাইন থেকে আপনার এনআইডি কার্ড টি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ আলাপ অ্যাপ কি?আলাপ অ্যাপ এর সুবিধা কি কি? আলাপ অ্যাপ কল রেট।

অনলাইনে নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র এবং ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া

1. এনআইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেমে একটি একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে

2. আপনার ব্যক্তিগত সঠিক তথ্য সাবমিট করতে হবে

3. অনলাইনে আপনার আবেদন জমা দিতে হবে

4. আপনার বায়োমেট্রিক প্রদান করতে হবে (আঙ্গুলের ছাপ, চোখের ফিঙ্গার, আপনার ছবি ইত্যাদি)

4. সর্বশেষ আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কিংবা স্মার্ট কার্ড অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে

স্টেপ-1 অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য আবেদন

আপনার মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারের মাধ্যমে শুধুমাত্র ইন্টারনেট কানেকশন এবং কোন একটা ব্রাউজার ইউজ করার মাধ্যমে খুব সহজে অনলাইনের মাধ্যমে NID online registration ওয়েবসাইট থেকে আপনার নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য আবেদন (notun voter ID card ar abedon) করতে পারবেন খুব সহজেই।

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার সবচেয়ে কি ভালো দিক কিংবা সুবিধা হচ্ছে এখানে আপনার আইডি কার্ডের কোন প্রকার তথ্য ভুল হবেনা। কেননা আপনি নিজেই তো নিজের আইডি কার্ড করতেচেন অর্থাৎ আপনি নিজেই লিখে দিচ্ছেন যে আপনার তথ্যগুলো। কোনটা সঠিক হবে কোনটা বেঠিক এখানে কোন প্রকার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা নেই কেননা আপনি দেখেশুনে আপনার তথ্যগুলো সাবমিট করতেছেন। এবং আপনার দেওয়া তথ্য অনুসারে সেগুলো প্রিন্ট হয়ে বের হয়ে আসবে।

তাই আপনি যদি অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে নিচের দেওয়া প্রক্রিয়াগুলো খুব ভালোভাবে পড়ে বুঝে অনুসরণ করুন। আশা করি আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়লে এনআইডি বিষয়ক অনেক কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

1. একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন 

সর্বপ্রথম আপনাকে কোন একটা ব্রাউজার ওপেন করে বাংলাদেশ এন আইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম এই ওয়েব সাইটের মধ্যে একটা একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সবগুলো বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য নিচে দেওয়া ছবিগুলো খুব ভালোভাবে ফলো করুন।

সর্বপ্রথম আপনাকে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বাংলাদেশ এনআইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম এই সাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন কিংবা কোন একটা ব্রাউজার এ গিয়ে সার্চ করুন https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ এটা লিখে। আপনার সামনে সর্বপ্রথম এই ওয়েবসাইটটি চলে আসবে। এখানে ক্লিক করার পর কিংবা কোন একটা ব্রাউজার এর উপরে যাওয়া লেখা কি করে সার্চ করার পর সেই সাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনার সামনে নিচের ছবির মত একটা পেজ হবে কবে।

নিচের ছবিতে আপনারা অবশ্যই দুটো অপশন দেখতে পাচ্ছেন (১) রেজিস্টার করুন (২) আবেদন করুন। এখানে অবশ্যই আপনাকে অবশ্যই দ্বিতীয় অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে অর্থাৎ আবেদন করুন এ ক্লিক করুন। আরো বিস্তারিত ভাবে জানতে নিচের ছবিটি খুব ভালোভাবে ফলো করুন।

আবেদন বাটনে ক্লিক করার পর দ্বিতীয়ত আপনার সামনে নিচের ছবির মত আরেকটা পেজ ওপেন হবে। সেখানে আপনার যাবতীয় তথ্য অর্থাৎ আপনার নাম ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি ফিলাপ করতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন এবং নিচের ছবিটি ফলো করুন।

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম
অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি লাগবে

এই পেজের মধ্যে আপনার নাম ইংরেজিতে লিখতে হবে এবং আপনার সঠিক জন্ম তারিখ এবং জন্ম সালটা বসিয়ে দিতে হবে। এবং সর্বশেষে একটা ক্যাপচা পূরণ করতে হবে অর্থাৎ একদম নিচে যে ঘরটি রয়েছে তার ওপরে ঝাপসা ধরনের একটা কোড রয়েছে সেই কোডটা একদম নিচের খালিঘরে বসাতে হবে। যেমন আমি বসিয়েছি 4gpfa অবশ্যই আপনার টা আপনি বসাবেন না হলে হবে না।

তারপর সর্বশেষ আপনাকে "বাহাল" অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে অথবা আপনার সেখানে সাবমিট অপশন আসতে পারে সেখানে ক্লিক করতে হবে। সেখানে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত একটা পেজ ওপেন হবে। বিস্তারিত জানার জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন এবং ছবির নিচে দেওয়া সবকিছু ভালোভাবে পড়ুন।

নতুন ভোটার হওয়ার নিয়ম ২০২১

এই পেজের মধ্যে আপনাকে আপনার নাম্বারটি টাইপ করতে হবে। অবশ্যই নাম্বার দেওয়ার সময় নিজের একটি প্রচলিত নাম্বার অর্থাৎ যেটা কিনা আপনি ব্যবহার করেন এরকম একটা নাম্বার দেওয়ার চেষ্টা করবেন যেটা কিনা আপনি আপনার আত্মীয় স্বজনের কারণ এনআইডি কার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা। কেননা পরবর্তী নদী কোন কারণে আপনার নাম্বারটি প্রয়োজন পড়ে সেই ক্ষেত্রে যেন আপনার নাম্বারটি দিয়ে আবার লগইন কিংবা কাজে লাগাতে পারেন। তবে আমি মনে করি অবশ্যই আপনার নাম্বারটি প্রয়োজন হবে তাই খুব সতর্কতার সাথে নাম্বার দেওয়ার চেষ্টা করুন।

আপনার নাম্বার টি যাচাই করার জন্য কিংবা ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনার দেওয়া নাম্বারে একটি ওটিপি কোড যাবে। সেটা ভেরিফাই করার জন্য বাহাল অপশনে ক্লিক করুন। বাহাল অপশনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে আর একটা নতুন পেজ ওপেন হবে। সেখানে কি কি করবেন সেগুলো নিম্নে বর্ণনা করা হলো।

এই পেজের মধ্যে আপনাকে আপনার একটি ইউনিট প্রয়োজন নেই যেটা কিনা আপনার মনে থাকে এমন একটা ইউজারনেম দিতে হবে। এবং আপনার পাসওয়ার্ডটি দিতে হবে যেটা আপনার মনে থাকে এরকম একটি পাসওয়ার্ড দিবেন। পরবর্তীতে আপনি এই আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পরে আপনার পরিচয় পত্র ডাউনলোড থেকে শুরু করে অনেক কিছু করতে পারবেন।

ইউজারনেম যাবার ক্ষেত্রে অবশ্যই নাম এবং সংখ্যা মিলিয়ে দিবেন এবং পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় কমপক্ষে আট ডিজিটের হতে হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ইউজারনেম দেয়ার ক্ষেত্রে যদি Username already exists এইরকম দেখাই তাহলে বুঝবেন এই ইউজার নেম টি অ্যাভেলেবেল নেই। তাই সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে আরেকটি নতুন ইউজার নেম চয়েস করতে হবে। মনে রাখবেন অবশ্যই আপনার ইউজারনেম যাতে করে অন্য কারো ইউজারনেমের সাথে মিলে না যায়। তাই ইউজারনেম দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মাথা খাটিয়ে দিবেন।

2. ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করুন

ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করার আগে আমি আপনাদেরকে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করার প্রসেস কমপ্লিট করেছি। তাই এখন আপনাকে ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে আশাকরি উপরের দেওয়া কাজগুলো সম্পন্ন করার পরে আপনার একটি একাউন্ট ক্রিয়েট হয়েছে। একাউন্ট ক্রিয়েট হওয়ার পরে একাউন্টের ড্যাশবোর্ডে যদি অটোমেটিক লগইন না হয় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ম্যানুয়ালি ভাবে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

আপনি আপনার ড্যাসবোর্ডের লগইন করার পর নিচের ছবির মত একটা পেজ ওপেন হবে অর্থাৎ এটাকে ড্যাশবোর্ড বলা হয়। এখান থেকে আপনাকে মূল কাজটি শুরু করতে হবে অর্থাৎ এখানে আপনি আপনার এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করবেন। প্রক্রিয়াটি ভালভাবে বোঝার জন্য নিচের ছবির দিখে ভালোভাবে লক্ষ্য করুন।

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম
অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

এই পেজের মধ্যে আপনাকে সর্বপ্রথম আপনার প্রোফাইলে ক্লিক করতে হবে তারপর এডিট বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনার সামনে আরেকটা পেজ ওপেন হবে যেটা কিনা হুবহু নিচের ছবির মত দেখতে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। যে পেজটি ওপেন হবে সেটা ভালভাবে বুঝার জন্য নিচের ছবিটি ফলো করুন।

নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি লাগবে
নতুন ভোটার হওয়ার জন্য কি কি লাগবে

এখানে সর্বপ্রথম যে অংশটি রয়েছে অর্থাৎ ব্যক্তিগত তথ্য সেখানে আপনার যাবতীয় তথ্য প্রদান করতে হবে এবং অবশ্যই আপনার মা-বাবার এনআইডি কার্ডের নম্বর এবং মা বাবার নাম ইত্যাদি সঠিকভাবে তাদের এনআইডি কার্ড অনুযায়ী দিতে হবে।

আপনার যদি বড় ভাই বোন থাকে তাদের তথ্য দিতে পারেন চাইলে আপনি কিন্তু না দিলে কোন সমস্যা হবে না। তবে আপনি যদি দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার জন্য ভালো কেননা সেটা ভবিষ্যতে কাজে আসতে পারে। তবে আমি আপনাকে রিকমেন্ড করব দেওয়ার জন্য।

এরপর স্বামী-স্ত্রী তথ্য অবশ্যই দেওয়ার চেষ্টা করবেন। অবশ্যই স্বামী স্ত্রীর নাম এবং অন্যান্য কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের এনআইডি কার্ড অনুযায়ী দিবেন।

এরপর হচ্ছে "দ্বিতীয়" অংশ অর্থাৎ "অন্যান্য তথ্য" এ ক্লিক করুন 

এখানে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু সেটা দিতে হবে আপনার ধর্ম ইত্যাদি বাছাই করে নিতে হয়। এখানে আরো অন্যান্য তথ্য রয়েছে যেগুলো আপনি চাইলে দিতে পারেন না চাইলে কোন সমস্যা নেই না দিতেও পারেন।

এখন আপনাকে তৃতীয় অংশ যেতে হবে অর্থাৎ "ঠিকানা" এই অপশনটি তে যেতে হবে।

বর্তমান আপনার অবস্থানরত দেশ বাছাই করুন অর্থাৎ আপনি কি দেশে আছেন নাকি বাংলাদেশের মধ্যে। এটা কিন্তু আবার নাগরিক ভিত্তিতে নয় আপনার অবস্থানগত দিক থেকে। যেমন আপনি যদি বাংলাদেশী নাগরিক এবং বিদেশে প্রবাসের জীবন যাপন করেন সেক্ষেত্রে আপনার দেশ বাছাই করুন। তারপর আপনাকে বাসে করতে হবে আপনি কি বর্তমান ঠিকানা ভোটার হতে চান নাকে স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার হতে চান এটা আপনাকেই বাছাই করতে হবে। কোন স্থানের আপনি ভোটার হতে চান সেই স্থানের পাশের টিক মার্ক দিন।

বর্তমান ঠিকানা এবং এই চিঠিখানা নির্বাচন করতে হবে এবং আপনার এরিয়া নির্বাচন করতে হবে। এখন অন্য একটি ধাপে চলে যেতে হবে আমাদেরকে। অর্থাৎ এই ধাপের মধ্যে আমাদেরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হবে।

কাগজপত্র আপলোড ও আবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম

এই দেশে আমরা জানবো আপনার তথ্যগুলো কিভাবে সাবমিট কিংবা আপলোড করবেন। এই দেখার মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো স্ক্যান কপি কিংবা ছবি আপলোড করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি আবেদন করার সময় অবশ্যই চেক করে নিবেন আপনার দেওয়া তথ্যগুলো তে কোনো ভুল আছে কিনা। আপনার দেওয়া তথ্যগুলো যদি আপনি সঠিক দেখতে পান তাহলে আপনার যাবতীয় ইনফরমেশন আপলোড করে সাবমিট করে দিন।

আপনার তথ্যগুলো দেওয়ার পরে আপনার একাউন্টে ডেস বোর্ডে যাওয়ার পর আপনার আবেদন ফরম টি A4 সাইজের একটি কাগজের মধ্যে আপনার আবেদন ফরমটি প্রিন্ট করে নিন। তারপরে হয়ে গেল আপনার আবেদন প্রক্রিয়া এখন আপনাকে সেই প্রিন্ট করা ফরমটি নিয়ে জমা দিতে হবে আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ইত্যাদিতে।

স্টেপ-২ ভেরিফিকেশন

আপনি যে ইনফরমেশনগুলো তাদেরকে জমা দিয়েছেন কিংবা সাবমিট করেছেন সেগুলো তারা যাচাই বাছাই করবে। যদি তারা যাচাই বাছাই করার পরে আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সঠিক পাই তাহলে তার আপনার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবে। এবং তারা আপনাকে তাদের অফিসে যোগাযোগ করার জন্য বলা হবে আশা করি।

স্টেপ-৩ বায়োমেট্রিক প্রদান

আপনার আবেদনকৃত তথ্য যদি সবগুলো সঠিক থাকে তাহলে আপনাকে বায়োমেট্রিক প্রদান করার জন্য ডাকা হবে। অর্থাৎ আপনার আঙ্গুলের ছাপ, আপনার চোখের ফিঙ্গার ইত্যাদি সহ আরো নানা বিষয় সম্পর্কে জানানোর জন্য আপনাকে যা তা হবে। এ কাজগুলো করার 10 থেকে 15 দিনের মধ্যেই আপনার আইডি কার্ডটি অনলাইন থেকে খুব সহজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।


স্টেপ-৪ জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড

আপনার আবেদনটি যদি কমপ্লিট হয়ে যায় তাহলে আপনি খুব সহজেই অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার আবেদন যখন অনুমোদিত হবে তখন আপনার দেয়া মোবাইল নাম্বারে একটা এসএমএস পাবেন।

আপনার আবেদনকৃত এলাকার এর বর্তমান অবস্থা কেমন সেটি আপনার বাংলাদেশ এনআইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম এ লগইন করার পর বর্তমান অবস্থা দেখতে পাবেন আপনার এনআইডি কার্ডের। সে ক্ষেত্রে আপনার ইউজারনেম এবং যে পাসওয়ার্ডটি দিয়েছিলেন সেটার প্রয়োজন হবে।

সর্বশেষ আপনি সেই বাংলাদেশ এনআইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম থেকে আপনার কাঙ্খিত এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন এবং প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন।

তাছাড়া এই আর্টিকেল যদি আপনার বুঝতে কোন প্রকার অসুবিধা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আমাকে জানাতে পারেন। সেটা তো অবশ্যই আমি আপনাকে যথাযথ সাধ্য অনুযায়ী উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব খুব দ্রুত।

অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম

আবার অনেকেই গুগল কিংবা ইউটিউবে অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম সম্পর্কে অনেক খোঁজাখুঁজি করে থাকেন। কিন্তু অনেকেই সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে না পাওয়ার কারণে অনেক কষ্টে পড়ে যায় আমি কিভাবে আমার এনআইডি কার্ড নতুন ভাবে অনলাইনে করার জন্য আবেদন করতে পারি। তো আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমি আপনাদেরকে যথাসম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি কিভাবে আপনি অনলাইনে মাধ্যমে একটি নতুন আইডি কার্ড করার জন্য আবেদন করবেন।

আশা করি আপনার আর কোন প্রকার প্রশ্ন উঠবে না যে অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম এটা সম্পর্কে। আশা করি আজকের আর্টিকেলটি আপনার অনেক উপকারে এসেছে।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২২

আবার অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম 2022 এটা লিখে। এনআইডি কার্ড করা এক্ষেত্রে 2022 2021 এ রকম কোনো পার্থক্য নেই। সব সময় একই নিয়মে আপনি এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি 2022 কিংবা 2023 সব সময় একই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

তবে আরেকটা কথা হচ্ছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের সেবাগুলো পরিবর্তন কিংবা আপডেট করে থাকে। সে ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা তবে একই পদ্ধতিতে আপনি আশা করি সব সময় আবেদন করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড পেতে কতদিন লাগে

আইডি কার্ড পেতে কতদিন লাগে এটার কোনো নির্দিষ্ট গ্যারান্টি নেই। কেননা যত তাড়াতাড়ি আপনার দেওয়া তথ্যগুলো তারা ভেরিফিকেশন করতে পারবে ততো তাড়াতাড়ি আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি হাতে পেয়ে যাবেন। তবে অনেক সময় দেখা যায় 10 থেকে 15 দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। আবার অনেক সময় এমন দেখা যায় যে 1 থেকে 2 মাস কিংবা আরো বেশি সময় লেগে যায়।

আরো পড়ুনঃ চুল দ্রুত লম্বা ও ঘন কালো করার ঘরোয়া উপায়।

কিভাবে ssc রেজাল্ট দেখবো । kivabe ssc result dekhbo

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

অবশ্যই কোন একটা ভোটার আইডি কার্ড হওয়ার পরে সেটা ডাউনলোড করতে হয় অনলাইন থেকে। ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য আপনি খুব সহজেই আপনার বাংলাদেশ এনআইডি অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম একাউন্ট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। তাছাড়া আপনার কাছে যদি ভোটার আইডি কার্ড করার সময় আপনাকে যে স্লিপটি প্রদান করেছিল সেটার মাধ্যমেও আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তাছাড়া আমি আর্টিকেলের একাংশের ধারণা দিয়েছিলাম তার জন্য আপনাকে অবশ্যই আর্টিকেলটি শুরু থেকে পড়ে আসতে হবে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url